সতীনাথ ভাদুড়ীর ‘জাগরী’ কেন আপনার পড়তে হবে

সতীনাথ ভাদুড়ীর ‘জাগরী’ছবি: লেখক

একই পরিবারের চার সদস্যই জেলে। সময় ভারতের আগস্ট আন্দোলন ১৯৪২। বাবা মহাত্মা গান্ধীর কংগ্রেসের অনুসারী। বড় ছেলে, উপন্যাসের নায়ক বিলু, কমিউনিস্ট পার্টির কর্মী; আর ছোট ছেলে নিলু সমাজতান্ত্রিক দলের সঙ্গে যুক্ত। রাজনৈতিক মতভেদের কারণে নিলু, আপন ভাই হয়েও বিলুর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়।

বিলুর ফাঁসির আগের রাতকে কেন্দ্র করেই ‘জাগরী’ উপন্যাসের মূল বর্ণনা গড়ে উঠেছে। ভোরে ফাঁসি হবে—এই নির্মম সত্যকে সামনে রেখে বিলুর মানসিক অবস্থার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মা–বাবা এবং নিলুর অন্তর্দ্বন্দ্ব ও অনুভূতিও লেখক অত্যন্ত গভীরভাবে তুলে ধরেছেন। শেষদিকে রয়েছে একটি চমকপ্রদ মোড়, যা পাঠককে নাড়িয়ে দেয়।

আরও পড়ুন

লেখক সতীনাথ ভাদুড়ী নিজে রাজনৈতিক কারণে বহুবার কারাবরণ করেছেন বলেই জেলের অভ্যন্তরের বাস্তব চিত্র তিনি অসাধারণ নিপুণতায় ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন। সব মিলিয়ে, এটি একটি অসাধারণ ‘অবশ্যপাঠ্য’ উপন্যাস।

শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়