আমি বিশ্বাস করি, যদি দুজন মানুষ একে অপরকে বোঝেন, সমানভাবে ভালোবাসেন, তাহলে সেই ভালোবাসা একদিন পূর্ণতা পাবেই।
অনার্স জীবনে হঠাৎ করেই সে আমার জীবনে আসে। পরিকল্পনা করে নয়, প্রস্তুতিও ছিল না। তবু মন তাকে চিনে ফেলেছিল। প্রথমে ভেবেছিলাম, এই অনুভূতি হয়তো শুধু আমার। নিজের ভেতরেই চেপে রাখতাম। তবু অজান্তেই তার কাছে মেসেজ চলে যেত। কথা বলতাম, কিন্তু মনের কথা বলার সাহস হতো না। নিজেকে সামলাতে না পেরে একদিন আমার কাজিনের মাধ্যমে তাকে জানালাম।
কিন্তু উত্তর পেলাম না। সেই কয়েকটা দিন আমার কাছে যেন থেমে থাকা সময়। সে বেশ কয়েক দিন আমাকে মেসেজ দেয়নি। এদিকে আমি তার মেসেজের অপেক্ষায় ছিলাম। তার মেসেজ এলে মনে হতো প্রাণ ফিরে পেলাম, আর না এলে বুকের ভেতর অজানা ভয় জমে উঠত। তারপর দুই–তিন দিন পর সে নিজেই আমাকে মেসেজ করে। তখনই বুঝলাম, ভালোবাসা একতরফা ছিল না।
সে আমাকে আগেই দেখেছে, দূর থেকে। নীরবে আমাকে অনুসরণ করত। ভেবেছিল, আমার মতো কাউকেই সে জীবনসঙ্গী হিসেবে চায়। শুধু সাহস হয়নি বলার। ভাবত, আমি খুব রাগী। এই কথাগুলো শুনে অবাক হয়েছিলাম। এত কাছে থেকেও কিছু বুঝতে পারিনি। তখনই বুঝলাম, সত্যিকারের ভালোবাসা চুপচাপ হয়। খুব বেশি শব্দ চায় না। সময় হলে নিজেই প্রকাশ পায়। আমি বিশ্বাস করি, যদি দুজন মানুষ একে অপরকে বোঝেন, সমানভাবে ভালোবাসেন, তাহলে সেই ভালোবাসা একদিন পূর্ণতা পাবেই। হয়তো দেরিতে, নয়তো নীরবে। ভালোবাসা যে গোপনেই সুন্দর।
শিক্ষার্থী, দিনাজপুর সরকারি কলেজ