নৌকাবাইচের প্রচলন কীভাবে শুরু হলো
নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশ। সবুজের বুক চিরে বয়ে চলা অসংখ্য নদ-নদী কেবল এই ভূখণ্ডের অংশ নয়, এই দেশের মাটি ও মানুষের জীবন-জীবিকা আর আনন্দ-উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে। নদী আর দেশমাতৃকার সম্পর্কের এক জীবন্ত প্রতিফলন নৌকাবাইচ। যা হাজার বছরের বাঙালির আনন্দ ও ঐক্যের এক সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক আয়োজন। বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।
‘বাইচ’ শব্দটি এসেছে ফারসি শব্দ থেকে, যার অর্থ বাজি বা খেলা। নৌকার দাঁড় টানা আর নৌকা চালনার দক্ষতার মাধ্যমে জয়লাভ করাই এই প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য। বর্ষাকাল বা বন্যা মৌসুমে যখন নদীগুলো পানিতে টইটম্বুর থাকে, তখনই মূলত এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে সাধারণত ভাদ্র-আশ্বিন মাসে নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়।
নৌকাবাইচের সবচেয়ে সুন্দরতম নিদর্শন হলো সারিগান। মাঝিরা যখন বইঠা টানেন, তখন তাল ঠিক রাখতে সম্মিলিত গানের তালে তাঁরা বইঠা ধরেন, যে গানকে বলা হয় সারিগান। শ্রমসংগীত বা কর্মসংগীত হিসেবেও পরিচিত এই গান মূলত মাঝিদেরই গান। মাঝিরা সারিবদ্ধভাবে বসে বইঠা টানার সময় গান গেয়ে থাকেন বলেই এর নামকরণ। জারিগানে যেমন একজন বয়াতি আর দোহার থাকেন, তেমনি সারিগানেও একজন বয়াতি থাকেন। তবে দোহারের ভূমিকায় থাকেন নৌকার সব মাঝি-মাল্লা। মাঝিরা তাল মিলিয়ে একসঙ্গে গেয়ে ওঠেন ‘হেইয়ো হেইয়ো’ সুমিষ্ট ধ্বনি, যা শক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে মাঝিদের মনোবল বাড়ায় এবং নৌকার গতি ও তাল ধরে রাখতে সাহায্য করে।
২০২৩ সালের ৭ মে মুক্তি পায় কোক স্টুডিও বাংলার দ্বিতীয় মৌসুমের আলোচিত গান ‘দেওরা’। সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান ও ইসলাম উদ্দিন পালাকারের কণ্ঠে মুক্তির পর গানটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। কোক স্টুডিও বাংলার হাত ধরে নতুন করে আলোচনায় আসে বাংলার ঐতিহ্যবাহী সারিগান। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের উড়ন্ত বলাকা নৌকার মাঝি ফজলু মিয়া তাঁর দলের নৌকাবাইচের জন্য ‘দেওরা’ গানটি রচনা করেন। ‘হাতে লাগে ব্যথা রে, হাত ছাইড়া দেও সোনার দেওরা রে’ গানটি কোক স্টুডিও বাংলার কম্পজিশনে দেখা যায়, লাল শাড়ি, রেশমি চুড়ি আর ঝুমকা পরা ভাবিরা এসেছেন দেওরদের অর্থাৎ বাইচালদের উৎসাহ দিতে। পিঁড়িতে বসিয়ে চিড়ে খাওয়ানোর দাওয়াত পেয়ে যেন বাইচালরা ফিরে পান নতুন উদ্দীপনা।
জনশ্রুতি থেকে ভূ-উৎপত্তি
বাংলাদেশে ঠিক কবে থেকে গণবিনোদন হিসেবে নৌকাবাইচের প্রচলন হয়েছিল, তার সুনির্দিষ্ট ইতিহাস পাওয়া যায় না। তবে এ নিয়ে প্রচলিত আছে বেশ কয়েকটি জনশ্রুতি।
একটি জনশ্রুতি অনুসারে, নৌকাবাইচের উৎপত্তি কিশোরগঞ্জের সোনাইজানী নদীতে। কথিত আছে, এই নদীর তীরে অবস্থিত শ্রীচৈতন্যদেবের আখড়ায় একদিন মনসা দেবী মনুষ্যরূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন। ঘাটের উত্তর ও দক্ষিণ দিকের দুই জেলে তাঁকে দেখে মুগ্ধ হয়ে প্রেমের প্রস্তাব দেন। কার প্রস্তাবে সাড়া দেবেন, তা নির্ধারণ করতে মনসা দেবী শর্ত দেন, নৌকা নিয়ে লাল গোঁসাইয়ের আখড়া থেকে চৈতন্যদেবের আখড়ায় যার নৌকা আগে আসবে মনসা দেবী তাঁর প্রস্তাবেই সাড়া দেবেন।
জেলেরা সেই শর্ত মেনে একসঙ্গে নৌকাবাইচ দেন; কিন্তু শেষ পর্যন্ত মনসা দেবী কারও প্রেমে সাড়া দেননি; বরং সেই দুই প্রতিযোগী জেলের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং নৌকা নিয়ে প্রতিযোগিতার সেই স্মৃতি অমর করে রাখতে প্রতিবছর সোনাইজানী নদীতে নৌকাবাইচ আয়োজনের নির্দেশ দেন মনসা দেবী। সেই থেকেই গড়ে ওঠে এই নৌকাবাইচ ঐতিহ্য।
দ্বিতীয় জনশ্রুতিটি জড়িয়ে আছে জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রাকে কেন্দ্র করে। স্নানযাত্রার সময় স্নানার্থীদের নিয়ে নদীতে অসংখ্য নৌকার ছড়াছড়ি আর দৌড়াদৌড়ি রোল পড়ে যেত। এই হুড়াহুড়ির মধ্যেই মাঝি-মাল্লা-যাত্রীরা খুঁজে পান প্রতিযোগিতার আনন্দ। কালক্রমে তা থেকেই জন্ম নেয় নৌকাবাইচ।
তৃতীয় জনশ্রুতিটি শুনতে পাওয়া যায় পীর গাজীকে কেন্দ্র করে। আঠারো শতকের শুরুর দিকে জনৈক গাজী পীর মেঘনা নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে অন্য পাড়ের ভক্তদের কাছে আসতে বলেন। কিন্তু ঘাটে তখন কোনো নৌকা ছিল না। ভক্তরা কষ্ট করে একটি ডিঙিনৌকা জোগাড় করে নদী পার হতে গেলে হঠাৎই নদীতে তোলপাড় শুরু হয়। নদী ফুলেফেঁপে ওঠে। খবর পেয়ে আশপাশের সব নৌকা ছুটে আসে, আর একে অপরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটে চলে সারি সারি নৌকা। অনেক জনশ্রুতি বলে, সেখান থেকেই নাকি নৌকাবাইচের গোড়াপত্তন।
তবে ঠিক কবে, কোথায়, কখন, কীভাবে নৌকাবাইচ উৎসবের প্রথম প্রচলন ও গোড়াপত্তন ঘটে, তা যেহেতু সুনির্দিষ্টভাবে বলার উপায় নেই, সেহেতু স্বীকার করতেই হবে এই উৎসব বহু বহু বহু পুরোনো। এ বিষয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং কবি-লেখক ও গবেষক অধ্যাপক মাওলা প্রিন্স বলেন, ‘পৃথিবীর যে প্রান্তেই নদীভিত্তিক জীবনের উত্থান ঘটেছে, সেখানেই কোনো না কোনোভাবে নৌকাবাইচের আয়োজন ছিল এবং এখনো আছে। একসময় তো সাঁতার প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া নর-নারীর বিবাহ উৎসব হতো। জলকেলি অত্যন্ত প্রাচীন উৎসব। জলকেলি উৎসবের মতোই নৌকাবাইচ আরেকটি প্রাচীন আয়োজন। এর সম্প্রসারণ ঘটেছে আধুনিক যুগে। মুসলমানদের আগমনের পর এই উৎসব বাঙালি জীবনে আরও বর্ণিল ও বর্ণাঢ্য হতে পারে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায়। কেননা নৌকাবাইচ উৎসব সম্পূর্ণই সর্বজনীন এবং বিশুদ্ধ আনন্দচর্চার মাধ্যম।’
‘নদীমাতৃক বাঙালি জীবন ও বিশ্ব ঐতিহ্য বিবেচনায় এবং সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতির পরিচর্যায় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সর্বজনীন নৌকাবাইচ উৎসব চালু হবে, একটি জনবান্ধব গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে আমরা এমনটি প্রত্যাশা করতে পারি,’ যোগ করেন অধ্যাপক মাওলা প্রিন্স।
নৌকাবাইচের ঐতিহ্য পুনর্জীবিত করার লক্ষ্যে একসময় স্যাটেলাইট টেলিভিশন বাংলাভিশন কিশোরগঞ্জের সোনাইজানী নদীতে বিশেষ নৌকাবাইচের আয়োজন করেছিল। তবে জনশ্রুতি যা-ই বলুক না কেন, বাংলাদেশে নৌকাবাইচের চর্চা চলে আসছে স্মরণাতীত কাল থেকেই।
নবাব-বাদশাহদের আমল থেকে জাতীয় ঐতিহ্যে
প্রাচীনকালে নবাব-বাদশাহদের আমলে নৌকাবাইচ ছিল উৎসব ও বিনোদনের অন্যতম অনুষঙ্গ। পূর্ববঙ্গের ভাটি অঞ্চলে নৌশক্তি ছিল প্রশাসন ও সামরিক ক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলার বারো ভূঁইয়ারা মোগলদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নৌবাহিনী ব্যবহার করতেন। মগ ও হার্মাদ জলদস্যুদের মোকাবিলাতেও ছিল এর গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার। সে সময়ের রণবহরে ব্যবহৃত দীর্ঘাকৃতির ছিপ নৌকার ঐতিহ্যের ছাপ আজও দেখা যায় বাইচের নৌকায়। সময় বদলেছে। বদলেছে নৌশক্তির ব্যবহার। তবে সেই প্রতিযোগিতা ও উৎসবের আবহ আজও নৌকাবাইচের মধ্য দিয়ে বেঁচে আছে বাংলাদেশের জাতীয় জীবন, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ হয়ে।
নৌকা নির্মাণ ঘিরে লোকবিশ্বাস
নৌকা বানান যাঁরা, তাঁদের বলা হয় ছুতার। আঞ্চলিক ভাষায় ‘হুতার’। নৌকা নির্মাণ ঘিরে গড়ে উঠেছে নানা লোকবিশ্বাস আর আচার-অনুষ্ঠান। হিন্দু ছুতাররা নির্মাণের আগে দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার নামে ভক্তি ও পূজা দেন। অপর দিকে মুসলমান কারিগরেরা গাজী-কালুর নামে শিরনি বিতরণ করেন। কারণ, প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গাজী-কালুর নাম নিয়ে নৌকা চালালে নদীতে বিপদ আসার আশঙ্কা কম।
আরেকটি প্রচলিত বিশ্বাস আছে, কাঠে দোষ থাকলে নৌকা নাকি ‘দেওয়ালা’ হয়ে যায়, হারিয়ে গিয়ে আবার ফিরে আসে। তাই নৌকা বানানোর আগে প্রতিটি কাঠের তক্তা পরখ করে দেখা হয়। প্রতিটি তক্তার সামনে কুপি ধরে পরীক্ষা করা হয়। কোনো তক্তার সামনে কুপি নিভে গেলে ধরে নেওয়া হয়, সেই তক্তায় দোষ আছে; আর তখন সেটি আর ব্যবহার করা হয় না।
অঞ্চলভেদে নৌকার বৈচিত্র্য
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় নৌকাবাইচের নৌকায় দেখা যায় ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য। ঢাকা, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ অঞ্চলে বাইচের জন্য সাধারণত ব্যবহৃত হয় কোষানৌকা। সরু গড়নের, দৈর্ঘ্যে ১৫০ থেকে ২০০ ফুট, সামনে-পেছনে একেবারে সোজা। দেশি শাল, শীল কড়ই, চাম্বুল কাঠে তৈরি হয় এসব নৌকা।
টাঙ্গাইল ও পাবনায় ব্যবহৃত হয় ছিপনৌকা। সরু, লম্বা আর দ্রুতগতিসম্পন্ন। এর পেছনের অংশ নদীর পানি থেকে প্রায় ৫ ফুট উঁচু আর সামনের দিকটা মিশে থাকে পানির সঙ্গে।
কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আজমিরীগঞ্জ ও সিলেট অঞ্চলে চলে সারেঙ্গি নৌকা। দৈর্ঘ্যে ১৫০-২০০ ফুট। সামনে-পেছনের অংশ হাঁসের মুখের মতো চ্যাপটা, পানি থেকে ২-৩ ফুট উঁচু।
চট্টগ্রাম, নোয়াখালীর নিম্নাঞ্চল ও সন্দ্বীপে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় জাহাজের আদলে গড়া সাম্পান। আর ফরিদপুরে চলে গয়নানৌকা।
নৌকা নির্মাণের জন্য সবচেয়ে আদর্শ কাঠ ধরা হয় জারইকে। নৌকার সামনের অংশ, যাকে বলা হয় গুলুই—গুলুই সাজানো হয় বিশেষ যত্নে আর রঙে রাঙিয়ে। দর্শকদের মুগ্ধ করতে আর নিজেদের আলাদা করে চেনাতে নৌকাগুলোর দেওয়া হয় ঝড়ের পাখি, পঙ্খিরাজ, ময়ূরপঙ্খি, তুফান, সাইমুন, অগ্রদূত, দীপরাজ, সোনার তরীর মতো কাব্যিক সব নাম।
প্রতিযোগিতার আসর
নৌকাবাইচে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দল তাদের নিজস্ব রং ও পতাকা নিয়ে প্রতিযোগিতায় নামে। নৌকায় ওঠার আগে সবাই পাক-পবিত্র হয়ে একই রঙের রুমাল মাথায় বেঁধে এবং গায়ে একই ধরনের গেঞ্জি পরে নেন। দাঁড়িয়ে বইঠা চালানো মাঝিরা থাকেন নৌকার পেছনে, মাঝে থাকেন নির্দেশক। ঢোল-করতাল হাতে বাদক আর গায়েনরা বসে থাকেন নৌকার মাঝখানে। তালে তালে মাঝিদের উৎসাহ জোগান গায়েন আর বাদকের দল।
জাতীয় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় সাধারণত ৬৫০ মিটার দূরত্বের রেস অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, যা চলে নদীর ওপর নির্দিষ্ট রেস-ট্র্যাকে। নৌকাভেদে মাঝির সংখ্যাও ভিন্ন হতে পারে। কোনো নৌকায় ৭ জন, কোনোটায় ২৫, ৫০ বা এমনকি ১০০ জন মাঝি-বাইচালও থাকতে পারেন। গ্রামবাংলার স্থানীয় মেলা, উৎসব বা বিশেষ অনুষ্ঠানে নৌকাবাইচের আয়োজন এক পরিচিত দৃশ্য। নৌকাবাইচ কেবলই প্রতিযোগিতা নয়, এলাকাবাসীর আনন্দ-উচ্ছ্বাসেরও এক উজ্জ্বল প্রকাশ।
প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও আন্তর্জাতিক পরিসর
বাংলাদেশে নৌকাবাইচের সংগঠন ও উন্নয়নের জন্য ১৯৭৪ সালে গঠিত হয় বাংলাদেশ রোয়িং ফেডারেশন, যা সনাতন নৌকাবাইচ আর আধুনিক রোয়িংয়ের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করেছে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রোয়িং ফেডারেশনের সদস্যপদও অর্জন করেছে। দেশীয় নৌকাবাইচকে উৎসাহিত করতে প্রতিবছরই জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজিত হয় জাতীয় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল একটি আন্তর্জাতিক নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা।
বিশ্বজুড়েই নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার নানা রূপ প্রচলিত আছে। ভিন্ন ভিন্ন দেশে এসব পরিচিত ভিন্ন নামে। ড্রাগন বোট রেস, সোয়ান বোট রেস, রোয়িং বোট রেস, কেনু ও কায়াক বোট রেসের মতো প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক পরিসরে আয়োজিত হয়ে থাকে নিয়মিতই। এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়েও বাংলার নৌকাবাইচ ধরে রেখেছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য―সারিগানের সুর, লৌকিক বিশ্বাস আর নদীকেন্দ্রিক জীবনযাত্রার এক অনন্য মিশেল।
সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা মহানগর বন্ধুসভা