পুরোনো সেই চিঠি

অলংকরণ: তুলি

বুকশেলফ গোছাতে গিয়ে চিঠিটা সুরভীর হাতে পড়ল। বইয়ের ভেতর। ১১ বছর আগের চিঠি। আজই প্রথম সুরভী চিঠিটা পড়ছে।

‘সুরভী,

একদিন বিকেলে জলেশ্বরীর পাড়ে তোর মুখোমুখি দাঁড়াব। সেই দিন চিৎকার করে বলব ভালোবাসি।

অপেক্ষায় থাকিস।

ইতি,

শাফিন’

বাইরে বৃষ্টি পড়ছে। বৃষ্টির শব্দটা গোপন এক বেদনাকে জাগিয়ে দিচ্ছে। শাফিনটা বরাবরই ভিতু প্রকৃতির। সে বইয়ের অক্ষরগুলোকে যতটা বুঝতে পারত, তার এক ভাগও যদি সুরভীর চোখের ভাষা বুঝত, তাহলে হয়তো সুরভীর জীবনটা আজ এমন হতো না। কলেজের শেষ দিনও সুরভী চাচ্ছিল শাফিন তাকে কিছু একটা বলুক। সেদিন কিছু না বলে সুরভীর হাতে বইটা দিয়ে সে চলে গিয়েছিল। শাফিনের চলে যাওয়ার পর সুরভী খুব কেঁদেছিল। আজও যেমন কাঁদছে।