হেমন্তের ওজস্বিতা
পাঠ করলেই এখন আর জানা যায় না তোমার পিঠের খবর। ডাংগুলি খেলার মাঠে হেমন্তের ঘ্রাণ নিয়ে আসে অতিথি পাখি; তোমার পালিয়ে থাকার বাহানায়, রোজ শুনি আমার মৃত্যুর শব্দ। উঠানের রোদে বসে দুপুরের ভাত খায় কিষানি মেয়ে। তোমাকে ভুলতে পারছি না বলে হেমন্তভরা পতন আমার। সবকিছু নিয়ে চলে যাচ্ছে কেউ চিরতরে।
একদিন যে ঘ্রাণ শুঁকেছিলাম তোমার অনাবৃত শরীরে, তাকে ছুড়ে দিতে উদ্যত তোমার বিরহ বাহুর ইচ্ছেগুলো; হেমন্তের ধানকাটা ফসলের মাঠে তবু দেখি সেই মুখচ্ছবি, আন্দোলিত নদীর ধারে বিপন্ন মানুষের ছায়া চিনতে পারার ভুলে। ডাকঘরে ভাঙা প্রেমের আওয়াজ; হেমন্তের মনস্তাত্ত্বিক রিক্ততা। তবু আমি পতনের মানুষ, স্বভাবে পথচলার পরাজয় এঁকেই যাচ্ছি কেবল।