মেয়েটি আজও দাঁড়িয়ে
মেয়েটি আজও দাঁড়ায় শান্তির পথের ধারে,
চোখে তাহার নীরব ভাষা, জমা ব্যথার ভারে।
ভাঙা স্বপ্ন ঢেউ হয়ে যে আছড়ে পড়ে মনে,
তবু বাঁচে এই বিশ্বাসে—আলো আসবেই ক্ষণে।
ঝড়ের পরে ঝড় এসেছে থামেনি তাঁর চলা,
রাতের শেষে রোদের খোঁজে ক্লান্ত দুপুর বেলা।
অশ্রু লুকায় হাসির ভাঁজে শক্ত মুখোশ পরে,
নিজের কষ্ট নিজেই বয়ে নীরব রাখে ধরে।
পথের ধুলা পায়ে মেখে ছুটছে অবিরাম,
বুকের ভেতর যুদ্ধ চলে—নেই যেন বিশ্রাম।
আপস করা শেখেনি সে, ক্লান্তি চোখের নিচে,
লড়াইগুলো নিত্যনতুন বুকের ভেতর ঘোচে।
নির্মম আঘাত, বজ্রাঘাত, ক্ষত হলো গভীর,
তবু আশার প্রদীপটুকু জ্বলছে যে অনড় স্থির।
ভেঙে পড়ার মুহূর্তেও সে খোঁজে ভোরের গান,
বিশ্বাস যে তার রৌদ্র হেসেই ভাঙাবে অভিমান।
কোলাহলে হারায় মেয়ের কণ্ঠভরা সে সুর,
তবু সে তালাশ করে বসন্ত ঋতুর।
সব হারানোর ভিড়েও হাল ছাড়েনি হায়,
সেই মেয়েটি দাঁড়িয়ে আছে—ক্ষয়িষ্ণু অসহায়।