একরাত্রি এবং সুরবালা

অলংকরণ: আরাফাত করিম

একরাত্রি এবং সুরবালা

না প্রেম, না স্বপ্ন—দুটোর মাঝামাঝি
আটকে থাকাই এই জীবনের সত্যি!
যথাসময়ে উপলব্ধির অভাব, দিগ্‌বিদিক ছোটাছুটি
যখন ফিরল হুঁশ, তত দিনে অনেক দেরি!
মাস্টারমশাই এর বাল্যকালে ফেরা হয়,
হোক না স্মৃতিতে, সুরবালার সাথে আবার সাক্ষাৎ হয়!
বউ-বউ খেলা হয়, স্মৃতির গভীর কোটরে,
অধিকারবোধ মিলিয়ে যায়, বাস্তবতার কাতারে!
দূরত্ব বাড়ে, হয় অনুশোচনা
প্রকৃতি কাছে টানে, বোঝে হৃদয়ের ব্যাকুলতা।
ছোট এ জীবন, কিন্তু গভীর সব অনুভূতি,
এলো একরাত্রি, আমার জীবনের সবচেয়ে দামি।

(রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প ‘একরাত্রি’ অবলম্বনে)

আশ্বিনের প্রভাতে

গল্পটা ঠিক জমল না, আবার শুরু করো
ঠিক যেখান থেকে আমাদের পরিচয়,
সেখান থেকে বলো।
আশ্বিনের প্রভাতে যাচ্ছি দূর দিগন্তে,
তুমি হেঁটে আসছ আমার সামনে কাশফুল নিয়ে,
তোমায় থামালাম, নিলাম কিছু ফুল
সূর্যের কিরণে তোমায় মনে হলো দেবী!
আমি স্তম্ভিত, বিস্মিত, কিংকর্তব্যবিমূঢ়
জানি না কী করব, কী বলব,
এমন সময় আমার হাত ধরলে তুমি,
মহাজাগতিক এক তরঙ্গ বয়ে গেল।
সেখান থেকেই সৃষ্টির শুরু, সেখানেই হবে ধ্বংস
আমি মহাপ্রলয় নটরাজ, তুমি অর্ধাঙ্গিনী অম্বিকা।