সংলাপ
সুভাষিণী,
একটা প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করছে তোমায়—
তুমি কি আগের মতোই, নাকি ষড়্ঋতুর ন্যায় বদল হয়েছে?
অথবা আগে যেমনটা হাসতে কচি পল্লবের মতো সবুজ রঙে
নাকি নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছ?
তোমাকে বলার অনেক কথা জমা রয়েছে।
সুভাষিণী,
তুমি কি চঞ্চলতার মতো লতিকায় লকলক বেণি করো?
নাকি কালো কেশদাম এখন শুধু খোঁপা করেই রাখো?
কৃষ্ণ ভ্রু-যুগল আর পাপড়িতে কাজলের রেখা আঁকো কি?
নাকি সাংসারিক রেখার পরিধিতে ভীষণ আটকে থাকো?
সুভাষিণী,
তোমার কথার স্বরলিপিতে গানের লিরিক কি আজও বাজে?
নাকি স্তব্ধ হয়ে গেছ সব ছেড়ে; হয়তোবা আজও গাও
তুমি কি কবিতার ভাষা আজও বোঝো;
অথবা ভাবার্থ আর অলংকার?
নাকি ব্যস্ততার নদীতে এখন তরি ভাসিয়ে দাও।
অনিমেষ,
তোমার সব কথা বোঝার অনুশীলন আমার নেই
তোমার কবিতাও না;
তবে তোমার কবিতার চেয়ে তোমার ঐ দুচোখ বুঝি
যেখানে সহস্র শব্দের নীরব ভাষা চোখ দিয়েই অনুবাদ করি।