নতুন বছরে সফলতার গল্প দীর্ঘ হোক

সফলতার দৌড়ে পিছিয়ে পড়লে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। স্বপ্ন থাকলে সাফল্য আসবেই

কালের গহ্বরে মিলিয়ে গেল আরেকটি খ্রিষ্টীয় বছর। নতুন দিনে বর্ষপঞ্জিতে যোগ হয়েছে নতুন পাতা, ২০২৪ সাল। পুরোনো স্মৃতি আর নতুন বছর নিয়ে সবারই প্রত্যাশার গল্প রয়েছে।

সূর্যোদয় কিংবা সূর্যাস্ত চলমান প্রক্রিয়ায় চলতে থাকে। তবু যেন ডিসেম্বরের শেষ সূর্যাস্ত আমাদের আগের ১২ মাসের হিসাব মনে করিয়ে দিল। হারিয়ে যাওয়া বছরে রয়ে যায় আমাদের অজস্র স্মৃতি—সুখের কিংবা দুখের। কোনো গল্প আনন্দের, কোনোটা বেদনার, আবার হয়তো থাকে কোনো ব্যর্থতা কিংবা সফলতার গল্প; প্রত্যাশা আর সম্ভাবনার গল্পও জমা হয় এক বছরে।

২০২৩ সাল। প্রতিবছরের মতোই প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তি নিয়ে শেষ হলো। আমার অপ্রাপ্তিগুলো যাঁর পূর্ণতা; তাঁর হাসিতে আমিও খুশি। ব্যস্ততার ভিড়ে বেদনা লুকিয়ে এগিয়ে চলছি সামনের পথে। শিক্ষাবর্ষ হিসেবে কতখানি ফলপ্রসূ হয়েছে এ বছর জানি না। বৃহৎ ক্যাম্পাস, বড় পরিচয় কোনোটাই যখন নিজের করে নেওয়া হয়নি, তখন প্রাপ্ত পরিসরে নিজেকে তুলে ধরতে চেষ্টা করছি। এই পথচলায় শিক্ষকমণ্ডলীদের স্নেহময় প্রেরণা সামনে এগিয়ে যেতে সাহজ জোগায়। পেশাগত কাজে কিংবা একাডেমিক গণ্ডিতে যাঁদের সঙ্গে নতুন করে জানাশোনা হয়েছে, তাঁদের অনেককে পেয়েছি সহযোগী হিসেবে। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। সময়ের পরিক্রমায় হারানোর তালিকায় থেকে যায় কিছু মানুষ। কাছের মানুষ যাঁরা, তাঁদের কেউ হারালেই টের পাওয়া যায় হৃদয়ের গভীরতায়। বছর শেষে হারানোর তালিকায় যাঁরা যুক্ত হয়েছেন, তাঁদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা।

২০২৪ কিংবা পরবর্তী সময় প্রভু আমার সফলতার দ্বার খুলে দিক। মা–বাবাসহ ভালোবাসার মানুষদের প্রত্যাশিত সফলতা অর্জনের পাশাপাশি নিজের জীবনের জন্য কিছু অর্জন হোক, যা এ জীবনের পরও ইহলোক ছাড়িয়ে পরকালে আমার পাথেয় হবে। নতুন বছর সবার ভালো কাটুক ও সফলতার গল্প দীর্ঘ হোক। পৃথিবীবাসী সুস্থতায় বাঁচুক—হ্যাপি নিউ ইয়ার।

শিক্ষার্থী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়