কিশোরী শরৎ

হাওরের পাশে ফুটে আছে সফেদ কাশফুলছবি: তাফসিলুল আজিজ

এসেছে ধরায় দুরন্ত কিশোরী শরৎ,
লেগেছে বাতাসে হিমের পরশ।
ভোরের আলো ফোটে,
বয় মৃদু হাওয়া।
মেঠো পথে জমে স্নিগ্ধ
মাখা ঘন কুয়াশা।
ছুটে ধীর চঞ্চলা কিশোরী শরৎ,
বেলা বাড়ে শিউলি-কুঁড়ির ঘ্রাণে।
শুভ্র পরি হাসে গগনে গগনে,
সোনাঝরা ধানে জমে শিশির পরশ।
ইন্দ্রজাল ছড়িয়েছে ময়ূরী শরৎ,
লেগেছে উৎসব প্রবাহিনী তটে।
শরৎ দোলে শুভ্র কাশবনে,
কিশোরীর হাসি ঝরে ধানের শিষে।
বেলা বাড়ে কিশোরীর কুন্তলে,
নরম ঘাসে পড়ে কাঠফাটা রোদ।
তপন মামার বেড়েছে ক্রোধ!
নীল অম্বরে চলে মেঘমালার ছুটি,
তালপুকুরে সাঁতার কাটে বনহংস
শাপলাপাতায় ফুটে খুশির জ্যোতি।
মেঘবালিকা শরৎ অপরূপ সাজে,
গুনগুন সুর তুলেছে বকুলের পাড়ে।
একটা–দুটা–তিনটা করে পাতা খসার শব্দ,
নির্জনতায় জাগে প্রেম; গাঁথে মালায় ছন্দ।
পথ হারানো বকের সারি;
কিশোরী শরতের প্রেমে মুগ্ধ!