প্রিয় বই,
আজ ২৩ এপ্রিল, বিশ্ব বই দিবস। তোমায় নিয়ে পালন হওয়া দিবসে আমি লিখছি, জীবন না থাকলেও জীবিত সত্তার অনেক কিছুই তুমি তুলে ধরো আপন গতিতে। আপন গতিতে বলার চেয়ে সহজ হয় যদি বলি লেখকের চিন্তার বহিঃপ্রকাশ হলে তুমি। তোমায় সৃষ্টি করে লেখক তার আপন চিন্তায় আর সে লেখায় পাঠক খুঁজে পায় তার আপন স্বাচ্ছন্দ্য।
আজকাল কেউ হয়তো তোমায় বেশি পড়ে না। মোবাইল, ইন্টারনেটের যুগে মানুষ সময় ব্যয় করার জন্য অনেক মাধ্যম হাতে পেয়েছে। তাই তোমার কদর এখন আর অনেকের কাছে নেই। ডিজিটাল হতে গিয়ে অনেকেই তোমাকে মনে রাখে না বই। আগের দশকগুলোতে তোমায় যতটা আপন করে নিয়েছিল কিশোর, তরুণ কিংবা যেকোনো বয়সের মানুষ, এখন আর সেই হাইপটা দেখা যায় না। সবাই এখন ব্যস্ত, দৌড়ের ওপরে থাকে, তোমায় পড়বে কখন বলো!
তুমি যে আসলেই হারিয়ে গেছ, ব্যাপারটা এমন না। বিশ্বে অনেক উন্নত দেশসহ বিভিন্ন দেশে এখনো তোমায় মানুষ পড়ে গুরুত্বের সঙ্গে। দেশ, কাল, সমাজ ভেদে তোমার জাগরণ এখনো বিদ্যমান। তুমি তো হারাতে পারো না, নতুন উদ্যমে, নতুন প্রকাশে তুমি ফিরে আসো বারবার মানুষের মাঝে। বই, অতীতের ঘটে যাওয়া সব ঘটনা, যা বদলানো যায় না, তেমনই চিরন্তন সত্যের মতো অনেকেই তোমায় আপন করে নেয়। তোমায় লিখে সার্থক লেখক, কবি ও সাহিত্যিক হয়ে ওঠে অনেকেই।
ইতি
তোমার পাঠক
হাজীপুর, নরসিংদী