বাঙালি জাতির অস্তিত্ব রক্ষার দীর্ঘ লড়াই–সংগ্রামের ইতিহাসের মধ্যে ১৯৬৮ সালের ৬ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘটনাকে পর্যায়ক্রমে চলচ্চিত্রে তুলে এনেছেন পরিচালক।
বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, লেখক মুনতাসীর মামুনের সাড়া জাগানো উপন্যাস ‘জয় বাংলা’কে চলচ্চিত্রায়িত করেছেন খ্যাতনামা বর্ষীয়ান পরিচালক কাজী হায়াৎ। ‘জয় বাংলা’ এই একটি স্লোগানের মধ্যে পৃথিবীর বুকে বাঙালি নামক একটি জাতির ঐতিহ্য–সংস্কৃতি–ইতিহাস ও অস্তিত্বের রক্তবীজ লুকিয়ে। একটিমাত্র স্লোগান গোটা জাতির শিরায় শিরায় রক্তে মুক্তির উন্মাদনা, বুকের ভেতর স্বাধীনতার ঝড়ের দোলা, কম্পন জাগিয়ে দেয়। দীর্ঘদিনের শোষিত বঞ্চিত পরাধীন সাড়ে সাত কোটি বাঙালি একসূত্রে আবদ্ধ হয়ে একটিমাত্র স্লোগানে যুদ্ধ করে দেশমাতৃকার মুখে হাসি ফোটাবে বলে হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিল।
‘জয় বাংলা’ শুধু একটি স্লোগান নয়, অন্তরাত্মার জাগরণ, একটি দেশের নাম। অন্ধকার ঘুটঘুটে কালরাত ঘুচিয়ে রক্তিম আলোর সূর্যকে ছিনিয়ে আনতে ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। ঘৃণ্য বর্বর পশুদের বলাৎকারে হাজার হাজার মা-বোনের সম্মান ও সভ্রম লুণ্ঠিত হয়েছে। নিজের বাপদাদার ভিটেমাটি ছেড়ে ভিখারির মরণদশায় উদ্বাস্তু হয়েছে কয়েক লাখ মানুষ। পশ্চিমবঙ্গে, আসামে, ত্রিপুরায় এই ছিন্নমূল উদ্বাস্তুদের আত্মপরিচয় ছিল ‘জয় বাংলা’, মরণাপন্ন জয় বাংলার মানুষ। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের শেষে গোটা জাতিসত্তা যখন মুক্তি পেয়েছে, দেশের মাটিতে জয় বাংলার পতাকা উড়েছে, কলকাতা-আগরতলার রাস্তাঘাটেও মুহুর্মুহু স্লোগান উঠেছে জয় বাংলা। সেই জয় বাংলার নতুন নাম হলো আজকের বাংলাদেশ।
বাঙালি জাতির অস্তিত্ব রক্ষার দীর্ঘ লড়াই–সংগ্রামের ইতিহাসের মধ্যে ১৯৬৮ সালের ৬ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘটনাকে পর্যায়ক্রমে চলচ্চিত্রে তুলে এনেছেন পরিচালক। মুনতাসীর মামুনের উপন্যাস অক্ষরে অক্ষরে দৃশ্যায়িত করা সম্ভব নয়, তবে উপন্যাসের স্থান–কাল–পাত্র–চরিত্র, অনেক ঘটনা চিত্রায়ণের মাধ্যমে বেশ কিছু মূল সংলাপকে হুবহু তুলে এনেছেন কাজী হায়াৎ। শুরুতে যেমন তরুণী সহপাঠী প্রতিবেশী সুন্দরী দোলার সঙ্গে, তরুণ কবি কামাল এবং তাঁর বন্ধু অনিলের কথোপকথন হুবহু উঠে এসেছে।
১৯৬৮ সালের ৬ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টনে মাওলানা ভাসানী জনসভা ডেকেছিলেন। আইয়ুব খানের শাসনে নিপীড়িত মানুষ অতিষ্ঠ। পাকিস্তানি প্রশাসনের জুলুমের বিরুদ্ধে জুলুমবিরোধী বিপুল জনসভা। এরপর গভর্নর হাউস ঘেরাও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কামাল পড়াশোনার পাশে সংবাদপত্রেও টুকটাক প্রতিবেদন লেখার কাজ পেয়েছে। স্কুল–কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও কেউ কেউ কোনো রাজনৈতিক দলের ইউনিয়ন করে, কেউ কেউ করে না। দেশকে স্বাধীন করতে দল–মত–ধর্ম–বর্ণনির্বিশেষে সবাই বদ্ধপরিকর। একদিকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী, তাদের অনুরাগী ধর্মান্ধ রাজাকার। অন্যদিকে বাঙালি জাতিসত্তার স্বপ্নাশ্রয়ী, মুক্তিকামী তরুণ–নবীন–প্রবীণ, দামাল এই কামাল দল। কামাল বন্ধুদের নিয়ে ভাসানীর জনসভায় যাবে, এখান থেকে ইতিহাসের পরিক্রমা শুরু।
চারদিকে অশান্ত উত্তাল অরাজক অবস্থা। মাওলানা ভাসানী যে শেখ মুজিবকে মুক্তিপথের অগ্রদূত, শৃঙ্খলিত জাতির মশাল-মুখ মুক্তির কান্ডারি মনে করেন, সেই মুজিবকে কারারুদ্ধ করেছে অত্যাচারী শাসকগোষ্ঠী। শেখ মুজিবের মুক্তির দাবিতে, ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে সংঘবদ্ধ স্বদেশি আন্দোলনের ছাত্ররা, সাধারণ জনতা দিকে দিকে মিছিল করে চলেছে। মিছিলে গুলি চালিয়ে প্রতিবাদীদের কণ্ঠ রোধ করতে চাইছে শাসক। সংবাদপত্রের পাতাজুড়ে শুধু আহত–নিহতের খবর। কামাল দোলার বাবা-মায়েদের মতো মধ্যবিত্ত ঘরের অভিভাবকদের চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে, আইয়ুব খানের ঘনিষ্ঠ গভর্নর আবদুল মোমেন খান নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যে ধ্বংসলীলা নামিয়ে এনেছে, সাবেক প্রধান বিচারপতি স্বদেশি বুদ্ধিজীবী মাহবুব মোর্শেদও এর তীব্র প্রতিবাদ করে সংবাদপত্রে বিবৃতি দিয়েছেন। রবীন্দ্রনাথের গান যখন সরকারিভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, তখনো প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি।
১৯৫২ সালের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেও, ’৫২ সালে ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করে প্রতিবাদকে দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও ইতিহাস তো সেদিনই শোষকের মরণঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছিল। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া ছাত্রের দল আজ আর কিছুতেই পিছু হটবে না। এর মধ্যে কামাল বন্ধুদের নিয়ে চাঁদপুরের এক গণ্ডগ্রামে দাদু বাড়িতে বেড়াতে যায়। কামালের দাদু হাজী আবদুস সোবহান গ্রামের মাথা, মুরব্বি চেয়ারম্যান। গ্রামের পথে বীরেন ঘোষ ঘোলঅলার কাছ থেকে কামাল–অনিলরা ঘোল খায়। কিন্তু বীরেন হাজি সাহেবের নাতির কাছ থেকে ঘোলের জন্য টাকা নেয় না। বিস্মিত হিন্দু বন্ধু অনিল বলে ওঠে, খানেরা রবীন্দ্রনাথকে হিন্দু বানিয়েছে; কিন্তু ওদের এই প্রচেষ্টা বাঙালির প্রাণের সম্পর্কের বন্ধন কখনো ছিন্ন করতে পারবে না।
তৎকালীন গ্রামের মানুষের মধ্যেও পারস্পরিক অসাম্প্রদায়িক সম্পর্ক এই টুকরো টুকরো ঘটনা থেকে বোঝা যায়। কামালের দাদু–দিদাও হিন্দু–মুসলমান ভেদাভেদ করতে শেখেনি। দাদুর রেডিও নষ্ট হয়ে গেছে, গ্রামে বসে দেশের হালহকিকতের সব খবর তৎক্ষণাৎ না পেলেও চিন্তাচেতনায় আলাপ–আলোচনাজুড়ে সর্বক্ষণই থাকে শুধু দেশ। গ্রামের চায়ের দোকানদারও নিয়মিত খবরের কাগজ পড়ে দেশের ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারে। মুক্ত স্বাধীন একটা দেশ দেখতে সবাই মনে মনে প্রস্তুত। এখন বারুদে শুধু অগ্নিসংযোগের অপেক্ষা।
বাপ্পি চৌধুরী কামাল চরিত্রে নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। লাবণ্যময়ী জাহারা মিতুর শিল্পীসত্তা স্নিগ্ধ ও সুন্দর। শ্রাবণ শাহ, সিয়াম খান, রাতুল, নাদের চৌধুরী, শিরিন বকুল, গোলাম মাওলা, রেবেকা প্রত্যেকে নিজের চরিত্রে অনন্য।
এর মধ্যে ১৯৭০-এর প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড়ে ১০ লাখ মানুষ মারা যায়। চারদিকে শুধু ধ্বংসস্তূপে আহাজারি, হাহাকার। নির্মম পাকিস্তান সরকার বঙ্গদেশের দুরবস্থায় ফিরে তাকায়নি। রোষানলে তেতে উঠে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। কামাল শেখ মুজিবের সব খবর সংগ্রহ করে কাগজে লেখে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সবাই মিলে নিয়মিত পরিস্থিতি আলোচনা–পর্যালোচনা, সভা–সমাবেশ ও প্রতিবাদী মিছিল করে।
পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন হলো। পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টিতে জয়লাভ করে শেখ মুজিবের আওয়ামী লীগ। যুদ্ধ শুরুর আগেই ভোটাধিকারে বাঙালিরা জানান দিল নিজেদের অস্তিত্ব। কিন্তু পাকিস্তান সরকার বাঙালিদের অধিকার দিল না। শেখ মুজিব প্রধানমন্ত্রী হতে চাননি। চেয়েছিলেন শুধু বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার মানুষের স্বাধীন অধিকার। পাকিস্তান সরকার নির্বাচনী মত প্রকাশকেও যখন গুরুত্ব দিতে চাইল না, যুদ্ধ তখন অনিবার্য হয়ে উঠল। ৭ মার্চের মুজিবের জ্বালাময়ী ভাষণে যার হাতে যা কিছু আছে, ঘরে ঘরে, গ্রামে গ্রামে, শহরে নগরে–বন্দরে দুর্গ গড়ে তুলে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত; জেগে উঠল বীর বাঙালি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও এবার যে যার অঞ্চলে গিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। হোস্টেল, ক্যাম্পাস ছেড়ে যাওয়ার আগে সবার মুখে স্লোগান উঠল ‘জয় বাংলা’।
২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ল ছাত্র, শিক্ষক, অধ্যাপক, শিল্পী, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী সমাজের মেধা–মনন, শক্তি আর নিরীহ মানুষের ওপর। নির্বিচার পাষণ্ড হত্যাযজ্ঞ শুরু হলো। গোটা ইতিহাস পরিক্রমার তৎকালীন খণ্ড খণ্ড বাস্তব ফুটেজ উঠে এসেছে এই চলচ্চিত্রে। পরদিন থেকে বেয়নেট হোক যত ধারালো, কাস্তেতে শাণ দিয়ে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু। কামাল যুদ্ধে যাবে। একমাত্র দোলাকে জানিয়ে যাবে তা। দুজনে দুজনের সঙ্গে কত ঝগড়া করেছে, দুস্টু–মিষ্টি অনুরাগের বিরহের সময় কেটেছে, সময়ে অসময়ে, প্রেমে প্রতিবাদে প্রতিরোধ যাত্রায় পরস্পরের পাশে থেকেছে। এবার যুদ্ধের ডাকে একদিন কাছে আসার স্বপ্ন নিয়ে দূরে যাওয়ার পালা। দুজনের অন্তরঙ্গ সুন্দর মুহূর্তগুলোও চিত্রায়ণে সুন্দর ধরেছেন পরিচালক।
বন্ধুদের নিয়ে আবার দেশের বাড়িতে গিয়ে দাদুর সাহায্য নিয়ে যুদ্ধের পথে এগিয়ে যায় কামাল। গ্রামের দইঅলা বীরেন ঘোষের মতো মানুষেরা তখন অশ্রুসজলচিত্তে জন্মভিটে ছেড়ে যাচ্ছে। মুসলমানের ছদ্মবেশে বীরেন নাম নিয়েছে হোসেন আলী, তার স্ত্রী হরিদাসী হলো হাজেরা, কন্যার নাম খোদেজা। কামাল, অনিল ওরাও পরে আছে মুসলমানের পোশাক, স্বদেশঘাতক রাজাকারেরা যাতে খান সেনাদের হাতে ধরিয়ে দিতে না পারে।
ঢাকাতে সরকারি অফিসে বড় সাহেবের বিহারি পিয়ন সুলতানের আনা কয়লা চুরির ফাইল, দোলার বাবা হক সাহেব সাইন করেনি। শেখ মুজিবকে গালি দেওয়াতে সুলতানকে চড় মেরেছিল হক। প্রতিশোধ নিতে সুলতান পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে নিয়ে গিয়ে, ঘর থেকে দোলা আর হককে তুলে নিয়ে যায়। কদিন পরে দোলাকে ফেরত দিয়ে যায়। হক আর ফিরে আসেনি। শুধু রাজাকাররা নয়, একশ্রেণির ভিন্ন জনগোষ্ঠীর বিহারি মানুষও সেদিন ভুল বুঝে পাকিস্তানিদের দোসর হয়েছিল, সেই ইতিহাস চলচ্চিত্রে উঠে আসে। তবে বিপুলসংখ্যক বিহারিও সেদিন পাকিস্তানিদের হাতে অত্যাচারিত হয়েছে। বাঙালিদের পাশে থেকে লড়েছে, তা ভুলে গেলে ইতিহাসের অপলাপ হবে।
কাক–শকুন–শিয়াল–কুকুরে ছিঁড়েকুটে খাওয়া লাশের পর লাশের স্তূপের ওপর, রক্তের পদ্মা–মেঘনা–যমুনা পেরিয়ে বহু প্রতীক্ষিত স্বাধীনতা এল একদিন। মুক্তিযোদ্ধা কামাল বাড়ি ফিরল। দোলা বাবা ফিরে আসার প্রতীক্ষায় ঘরবন্দী শুধু জানালায় দাঁড়িয়ে থাকে। যুদ্ধবিধ্বস্ত, ভেতরে–বাহিরে ভঙ্গুর দুটি মানুষ কামাল আর দোলার দেখা হবে এবার। জয় বাংলার পতাকা একদিন দুজনে বাড়ির ছাদে উড়িয়েছিল। সেদিন দেশ পরাধীন ছিল। আজ আবার ওরা লাল–সবুজের জয় বাংলার পতাকা ওড়াবে। বিরহ–বেদনা–যন্ত্রণাকাতর মিলনলগ্নে আজ জয় বাংলা স্বাধীন। আবহে তখন বেজে উঠছে রথীন্দ্রনাথ রায়ের কণ্ঠে লখো কোটি বাঙালির কালজয়ী সেই বিখ্যাত গান—‘চাষাদের, মুটেদের, মজুরের/ গরিবের নিঃস্বের ফকিরের/ আমার এ দেশ সব মানুষের, সব মানুষের।’
বাপ্পি চৌধুরী কামাল চরিত্রে নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। লাবণ্যময়ী জাহারা মিতুর শিল্পীসত্তা স্নিগ্ধ ও সুন্দর। শ্রাবণ শাহ, সিয়াম খান, রাতুল, নাদের চৌধুরী, শিরিন বকুল, গোলাম মাওলা, রেবেকা প্রত্যেকে নিজের চরিত্রে অনন্য। বাস্তবের মুক্তিযোদ্ধা, পরিচালক কাজী হায়াৎ যখন মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের ব্যঞ্জনা তখন এমনিতেই উদ্ভাসিত, দ্যুতিময় হয়ে উঠতে বাধ্য। ইতিহাসবিদ লেখক মুনতাসীর মামুন আলোকমালা গেঁথে দিয়েছেন। তখনকার মতো করে বাড়িঘর, মধুর ক্যানটিন, কলেজ ক্যাম্পাস সাজিয়ে তুলতে না পারার সীমাবদ্ধতা অনেক আছে। তা সত্ত্বেও যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সেই ঐতিহাসিক চেতনা জাগিয়ে দিতে প্রবীণদের এ কাজ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। বেঁচে থাক জয় বাংলার ইতিহাস। জয় বাংলার জয়গান।
হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত