বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই কদিন আগে বন্যার্ত মানুষের কথা শুনে ত্রাণ নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের সাহায্য করার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে সে।

মূলত সে বন্ধুবৃত্তের আদর্শ বন্ধু বটে। করোনাকালে দুস্থ মানুষের সাহায্য-সহযোগিতা করতেই তার দিন কেটে যায়। শুভর কাজ দেখে অনেক দিন আগেই তার বন্ধুরা অনুপ্রাণিত হয়েছে। এখন তারা পাঠচক্রসহ বিভিন্ন অনলাইন কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে। একদিন কনফারেন্সের মাধ্যমে তারা সিদ্ধান্ত নিল সরাসরি সাক্ষাৎ করার।

গল্পের মোড়টা যেন এখানেই ঘুরে গেল। সাক্ষাতের ঠিক আগের রাতে মিনহাজের মুঠোফোনে কল আসে। ওপাশ থেকে ক্রন্দনরত কণ্ঠ ভেসে ওঠে ‘বন্ধু! বাবা আর নেই।’ পুরো কথা শোনার পর বুঝা গেল প্রলয়ের বাবা প্রায় মাস্ক ছাড়াই বাজারে সবজি বিক্রি করতে যেতেন। প্রয়োজন হলে বাইরে থেকে খোলা মাস্ক কিনতেন। হঠাৎ শ্বাসকষ্টে তিনি হাসপাতালেই মারা যান। রিপোর্টে তথ্য ছিল তিনি করোনা পজিটিভ ছিলেন।

ঘটনা জানার পর সবকিছু যেন অচিরেই ঝাপসা হয়ে যায় তাদের। ইমুদের দেখা করার পরিকল্পনাটা যেন গল্পের মতোই রয়ে গেল। প্রলয় ও তার বন্ধুরা সেদিন একটি বিষয় ভালো করে অনুধাবন করল—

‘একটি মাস্ক ও সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধিই পারে জনজীবন টিকিয়ে রাখতে।’

সাংগঠনিক সম্পাদক,দিনাজপুর বন্ধুসভা

বন্ধুদের লেখা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন