চট্টগ্রাম বন্ধুসভার বন্ধুদের ফুটবল রোমাঞ্চ আর একরাশ স্মৃতি

চট্টগ্রাম বন্ধুসভার প্রীতি ফুটবল ম্যাচের একটি দৃশ্যছবি: বন্ধুসভা

গোলকিপার বল হারাতেই প্রতিপক্ষের সবাই হুট করে ওপরে উঠে যান, এমনকি বাদ যায়নি প্রতিপক্ষের গোলকিপারও। তখনই প্রতিপক্ষের বার হয়ে যায় সম্পূর্ণ খালি। ওদিকে বল হারিয়ে ডিফেন্ডারকে দেওয়ার পর ডিফেন্ডার সেটা প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের ফাঁকি মেরে সরাসরি স্ট্রাইকারকে দিয়ে দেন, যাতে খালি মাঠে গোলটা দিতে পারেন। বিপত্তি বাধে সেখানেই, পুরো খালি মাঠ দেখে স্ট্রাইকার এত পরিমাণ খুশি হয়ে উত্তেজিত হয়ে গেলেন যে নিচু করে শট অন টার্গেট না দিয়ে বলটাকে মেরে দিলেন উঁচু শটে! বল গিয়ে সরাসরি টপ বারে লেগে চলে গেল মাঠের বাইরে।

এটি ২১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্ধুসভার প্রীতি ফুটবল ম্যাচের ছোট্ট একটা ঘটনা। আয়োজনের সমন্বয়কারী হিসেবে ছিলেন দপ্তর সম্পাদক সাকিব জিশান। অবশ্য খালি মাঠে গোল দিতে না পারার ব্যক্তিগত আক্ষেপ সেই স্ট্রাইকারের থাকলেও তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি তাঁর দলের; শেষ বাঁশিতে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন তাঁরা।

খেলা শেষে চট্টগ্রাম বন্ধুসভার বন্ধুরা
ছবি: বন্ধুসভা

নগরীর চকবাজারের সিটি গ্রাউন্ড টার্ফে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচে মহসিন একাদশের বিপক্ষে ৮-৫ গোলের ব্যবধানে জেতে ফাহিম একাদশ। বিজয়ী দলের হয়ে দুটি হ্যাটট্রিক করেন উপদেষ্টা ফাহিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ইরফাতুর রহমান। বাকি দুটি গোল করেন দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন। দলে আরও ছিলেন দপ্তর সম্পাদক সাকিব জিশান এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক আফিফ ইব্রাহীম। অপর দিকে মহসিন একাদশের হয়ে জোড়া গোল করেন পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শান্ত বড়ুয়া ও বন্ধু মহসিন শিকদার। পঞ্চম গোল আসে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানার পা থেকে। দলে আরও ছিলেন সহসভাপতি নুরুজ্জামান খান ও বন্ধু ফাহিম শেখ।

দীর্ঘ বিরতির পর মাঠে নামা নিয়ে সাধারণ সম্পাদক ইরফাতুর রহমান বলেন, ‘দৈনন্দিন ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় বন্ধুদের এখন আগের মতো সেভাবে সময় হয়ে ওঠে না খেলাধুলার। তাই এই পূজার ছুটিতে ব্যস্ততা কমে আসায় আমরা এক হয়েছি। এসব খেলাধুলার আয়োজন বন্ধুত্বের বন্ধনকে করে তোলে আরও দৃঢ়।’

দপ্তর সম্পাদক, চট্টগ্রাম বন্ধুসভা