মাঘকে বরণ করার মধ্য দিয়ে প্রকৃতি থেকে বিদায় নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে শীত। এমনই সন্ধ্যায় ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বন্ধুসভা আয়োজন করেছে প্রীতি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট। বন্দরনগরীর চান্দগাঁওয়ে অবস্থিত ফরচুন স্পোর্টস অ্যারেনাতে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
খেলায় অংশ নেন চট্টগ্রাম বন্ধুসভার ২০ বন্ধু। দৈবচয়নের ভিত্তিতে তাঁদের নিয়ে গঠন করা হয় ১০টি দল। নকআউট বিন্যাসে বিন্যস্ত করে মাঠে গড়ানো এ আয়োজন সমাপ্ত হয় ইনজামাম-বাপ্পী জুটির বিজয়ের উল্লাসে। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে তাঁরা ৯-১০ ব্যবধানে পরাজিত করেন আরাভী-রুমি জুটিকে।
উদ্বোধনী ম্যাচ থেকে শুরু করে সমাপনী, প্রতিটি খেলাতেই পরিলক্ষিত হয় বন্ধুদের দারুণ উন্মাদনা। তাঁদের হইহুল্লোড়কে এদিন পূর্ণতা দেয় শাটলককের সঙ্গে র্যাকেটের তারের সংঘর্ষের সূত্র ধরে জন্ম নেওয়া টুংটাং ধ্বনি আর জুতার স্পাইকের শব্দ। পুরো আয়োজন মাতিয়ে রাখেন প্রতিপক্ষের বেশে থাকা বন্ধুরা, কখনো অনুপ্রেরণা দিয়ে, আবার কখনো রসিকতা করে।
আয়োজন নিয়ে উপদেষ্টা শিহাব জিশান বলেন, ‘ছুটির দিন না হওয়া সত্ত্বেও বন্ধুদের এমন সরব উপস্থিতি আর মাতোয়ারা উদ্যাপন ছিল সত্যিই উপভোগ্য। আমার বিশ্বাস, চট্টগ্রাম বন্ধুসভা আজকের এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে ভবিষ্যতেও।’
সভাপতি রুমিলা বড়ুয়া অবশ্য কেবল উন্মাদনা নিয়ে নয়, বরং সঙ্গে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বন্ধুদের দক্ষতা নিয়েও। তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড় বন্ধুদের মধ্যে কেউই পেশাদার ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় না হওয়ার পরও অধিকাংশেরই দক্ষতা ছিল রীতিমতো চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতোই।’ তিনি বন্ধুদের আহ্বান জানান, যাতে প্রত্যেকে তাঁদের এই চর্চা ধরে রাখে।
স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক আমেনা রুমি অংশগ্রহণকারী বন্ধুদের ধন্যবাদ এবং শুভকামনা জানিয়ে শোনান প্রত্যাশার কথা। বলেন, ‘আয়োজনে বন্ধুদের আন্তরিক অংশগ্রহণ নিঃসন্দেহে উৎসাহোদ্দীপক ছিল। তাঁদের সরব উপস্থিতি যে মাত্রা ছাড়িয়েছে আজ, তা বলা বাহুল্য। আপনারা এবারের মতো প্রতিবার সব আয়োজনে প্রাণ খুলে অংশ নেবেন, এই হলো কাম্য।’
আয়োজনের সমন্বয়কারী হিসেবে ছিলেন স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক আমেনা রুমি এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক আফিফ ইব্রাহীম।
মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক, চট্টগ্রাম বন্ধুসভা