বিশ্বকাপে চমক দেখানো কেপ ভার্দে সম্পর্কে কতটুকু জানেন

কেপ ভার্দের রাজধানী প্রাইয়া
ছবি: সংগৃহীত

আফ্রিকার পশ্চিম উপকূল থেকে অনেক দূরে, আটলান্টিক মহাসাগরের নীল জলরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে একগুচ্ছ আগ্নেয় দ্বীপ। মানচিত্রে ছোট্ট এক দেশ; কিন্তু ইতিহাস, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের গল্পে যার বিস্ময়কর উপস্থিতি, সেই দেশটির নাম কেপ ভার্দে। বর্তমান সরকারি নাম কাবো ভের্দে।

আয়তনে মাত্র চার হাজার বর্গকিলোমিটারের কিছু বেশি। জনসংখ্যাও ছয় লাখের আশপাশে। কিন্তু শিক্ষা, গণতন্ত্র, মানব উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে দেশটি আফ্রিকার অনেক বৃহৎ রাষ্ট্রের চেয়ে এগিয়ে। প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকে দরিদ্র হয়েও কীভাবে একটি দেশ মানবসম্পদকে পুঁজি করে উন্নয়নের পথ তৈরি করতে পারে, তার উজ্জ্বল উদাহরণ কেপ ভার্দে।

১০টি প্রধান দ্বীপ ও কয়েকটি ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত এই দ্বীপরাষ্ট্রের রাজধানী প্রাইয়া। সান্তিয়াগো দ্বীপে অবস্থিত এই শহর কেপ ভার্দের অর্থনীতি, শিক্ষা ও সংস্কৃতিরও প্রাণকেন্দ্র।

আগ্নেয় দ্বীপের জন্মকথা
কেপ ভার্দের ভূপ্রকৃতি আফ্রিকার অন্যান্য দেশের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেশটির অধিকাংশ দ্বীপই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়েছে। ফোগো দ্বীপে এখনো সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এখানকার পিকো দো ফোগো ২ হাজার ৮২৯ মিটার উচ্চতায় দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।

চারদিকে সমুদ্র, মাঝখানে পাহাড়ি আগ্নেয় ভূমি—এই বৈচিত্র্যময় ভূপ্রকৃতি কেপ ভার্দেকে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তবে প্রকৃতি সব সময় উদার ছিল না। কম বৃষ্টি, দীর্ঘ খরা ও পানির সংকট দেশটির মানুষের জীবনে দীর্ঘদিন দুর্ভোগ ডেকে এনেছে।

পর্তুগিজ উপনিবেশ থেকে স্বাধীন রাষ্ট্র
পঞ্চদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে পর্তুগিজ নাবিকেরা কেপ ভার্দে দ্বীপপুঞ্জ আবিষ্কার করেন। সে সময় দ্বীপগুলোয় কোনো স্থায়ী মানববসতি ছিল না। এরপর পর্তুগাল দ্রুত দ্বীপগুলোকে নিজেদের উপনিবেশে পরিণত করে।

পরবর্তী প্রায় পাঁচ শতক কেপ ভার্দে পর্তুগিজ শাসনের অধীন ছিল। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এটি ইউরোপ, আফ্রিকা ও আমেরিকার মধ্যে সমুদ্রপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠে। বিশেষ করে আটলান্টিক দাস–বাণিজ্যের যুগে পশ্চিম আফ্রিকা থেকে বন্দী মানুষদের আমেরিকায় পাঠানোর পথে কেপ ভার্দে ছিল অন্যতম প্রধান ট্রানজিট কেন্দ্র।

এই দীর্ঘ ঔপনিবেশিক যুগে আফ্রিকান জনগোষ্ঠী ও পর্তুগিজ বসতি স্থাপনকারীদের মিশ্রণে গড়ে ওঠে নতুন সমাজ। জন্ম নেয় ক্রেওল সংস্কৃতি, যা আজও কেপ ভার্দের জাতীয় পরিচয়ের মূল ভিত্তি।

বিশ শতকের মাঝামাঝি আফ্রিকাজুড়ে স্বাধীনতা আন্দোলনের ঢেউ উঠলে কেপ ভার্দেতেও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা জোরালো হয়। স্বাধীনতাসংগ্রামের অন্যতম নেতা ছিলেন আমিলকার কাবরাল। দীর্ঘ আন্দোলনের পর ১৯৭৫ সালের ৫ জুলাই দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে।

স্বাধীনতার প্রায় অর্ধশতক পরও পর্তুগিজ ঐতিহ্যের প্রভাব দেশটির সমাজে স্পষ্ট। সরকারি ভাষা পর্তুগিজ, প্রশাসনিক কাঠামো ও আইনব্যবস্থায়ও সেই ছাপ রয়েছে। তবে একই সঙ্গে আফ্রিকান ঐতিহ্য ও ইউরোপীয় সংস্কৃতির সমন্বয়ে কেপ ভার্দে গড়ে তুলেছে নিজস্ব এক স্বতন্ত্র জাতীয় পরিচয়।

দেশটিতে ছড়িয়ে আছে একগুচ্ছ আগ্নেয় দ্বীপ
ছবি: সংগৃহীত

ভাষা: দুই বিশ্বের সংযোগ
কেপ ভার্দের সরকারি ভাষা পর্তুগিজ। শিক্ষা, প্রশাসন, আদালত ও সরকারি কার্যক্রমে এই ভাষাই ব্যবহৃত হয়। তবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ভাষা হলো কেপ ভার্দিয়ান ক্রেওল বা ক্রিওলু।

এই ভাষা মূলত পর্তুগিজ ও আফ্রিকান ভাষাগুলোর মিশ্রণে গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন দ্বীপে এর ভিন্ন ভিন্ন উপভাষা রয়েছে। ফলে কেপ ভার্দে এমন একটি দেশ, যেখানে একজন শিশু ঘরে ক্রেওল ভাষায় কথা বলে, আবার বিদ্যালয়ে গিয়ে পর্তুগিজ ভাষায় পড়াশোনা করে।

শিক্ষায় বিনিয়োগ
স্বাধীনতার পর কেপ ভার্দের সরকার উপলব্ধি করেছিল, প্রাকৃতিক সম্পদের ঘাটতি পূরণ করতে হলে মানবসম্পদকে শক্তিশালী করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় শিক্ষাকে।

আজ দেশটির সাক্ষরতার হার আফ্রিকার গড় হার থেকে অনেক বেশি। প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক। রাজধানী প্রাইয়ায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব কেপ ভার্দে দেশের প্রধান উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

ডিগ্রিনির্ভর শিক্ষার পাশাপাশি পর্যটন, সামুদ্রিক অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এই শিক্ষানীতিই কেপ ভার্দেকে আধুনিক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছে।

ধর্মীয় সহনশীলতা
কেপ ভার্দের অধিকাংশ মানুষ খ্রিষ্টান, বিশেষ করে রোমান ক্যাথলিক। পাশাপাশি প্রোটেস্ট্যান্ট, ইভানজেলিক্যাল এবং অল্পসংখ্যক মুসলিম সম্প্রদায়ও রয়েছে। তবে ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে সামাজিক সম্প্রীতিই এখানে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মীয় সংঘাত প্রায় নেই বললেই চলে। ভিন্ন বিশ্বাসের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে একসঙ্গে বসবাস করে।

সংগীতে লুকিয়ে আছে জাতির আত্মা
কেপ ভার্দের সংস্কৃতির সবচেয়ে উজ্জ্বল দিক তার সংগীত। ‘মোর্না’ নামের সংগীতধারা দেশটির পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রেম, বিচ্ছেদ, সমুদ্রযাত্রা; প্রবাসজীবনের বেদনা ও স্মৃতির আবেগ এই সংগীতের মূল বিষয়।

বিশ্বখ্যাত সংগীতশিল্পী সেজারিয়া এভোরা কেপ ভার্দের সংগীতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করে তুলেছেন। খালি পায়ে মঞ্চে গান গাওয়ার জন্য তিনি ‘বেয়ারফুট ডিভা’ নামে পরিচিত ছিলেন। এ ছাড়া ফুনানা, বাতুকে ও কোলাদেরা নামের লোকসংগীতও স্থানীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

কৃষি
কেপ ভার্দের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি কৃষি। দীর্ঘ খরা এবং পানির সংকটের কারণে দেশের মাত্র অল্প অংশ চাষাবাদের উপযোগী। ভুট্টা, শিম, মিষ্টি আলু, আখ, কলা এবং বিভিন্ন ফল এখানে উৎপাদিত হয়। ফোগো দ্বীপের আগ্নেয় মাটিতে উৎপাদিত কফি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছে। তবে খাদ্য উৎপাদনে দেশটি স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। প্রয়োজনীয় খাদ্যের বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

সমুদ্রই অর্থনীতির প্রাণ
চারদিক সমুদ্রবেষ্টিত হওয়ায় মৎস্যসম্পদ কেপ ভার্দের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাত। টুনা, লবস্টার, স্কুইডসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ দেশটি রপ্তানি করে। তবে বর্তমান অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি পর্যটন। সাল, বোয়া ভিস্তা ও ফোগো দ্বীপের সমুদ্রসৈকত, আগ্নেয়গিরি ও মনোরম আবহাওয়া প্রতিবছর লাখো পর্যটককে আকর্ষণ করে। এ ছাড়া ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে বসবাসরত কেপ ভার্দিয়ান প্রবাসীদের পাঠানো অর্থও জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

চলতি বিশ্বকাপে চমক উপহার দিয়েছে কেপ ভার্দে
এএফপি

ক্রীড়া
কেপ ভার্দের ক্রীড়াঙ্গন খুব বড় নয়। জনসংখ্যাও সীমিত। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আন্তর্জাতিক ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশটির উপস্থিতি ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে। বিশেষ করে ফুটবলে কেপ ভার্দের উত্থান এখন আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

সমুদ্রঘেরা এই ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। জাতীয় দল পরিচিত ‘ব্লু শার্কস’ (Tubarões Azuis) নামে। একসময় বিশ্ব ফুটবলে প্রায় অপরিচিত থাকা দলটি ধীরে ধীরে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে আফ্রিকার প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে।

কেপ ভার্দের ফুটবল ইতিহাসে বড় বাঁক আসে ২০১৩ সালে। সেবার প্রথমবারের মতো আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে (আফকন) অংশ নিয়েই চমক দেখায় তারা। অভিষেক আসরেই পৌঁছে যায় কোয়ার্টার ফাইনালে। এরপর ২০২৩ সালের আফ্রিকা কাপেও দারুণ পারফরম্যান্স করে।

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়েও কেপ ভার্দের অগ্রগতি চোখে পড়ার মতো। একসময় আন্তর্জাতিক ফুটবলের প্রান্তে থাকা দেশটি এখন বিশ্বের শীর্ষ ৭০ দলের মধ্যে অবস্থান করছে। সীমিত জনসংখ্যা ও ছোট অর্থনীতির দেশ হয়েও পরিকল্পিত উন্নয়ন, প্রতিভা অন্বেষণ এবং ইউরোপপ্রবাসী খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে ‘ব্লু শার্কস’ নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

দলের অন্যতম শক্তি হলো প্রবাসী খেলোয়াড়েরা। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী কেপ ভার্দিয়ান বংশোদ্ভূত অনেক ফুটবলার জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন। বিশেষ করে পর্তুগাল, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের মতো দেশের ফুটবল সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা খেলোয়াড়েরা দলটিতে যোগ করেছেন অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক মান।

তবে কেপ ভার্দের ক্রীড়াঙ্গন শুধু ফুটবলে সীমাবদ্ধ নয়। অ্যাথলেটিকস, বাস্কেটবল, ভলিবল ও নৌ–ক্রীড়াতেও দেশটির অংশগ্রহণ রয়েছে। চারদিকে সমুদ্রবেষ্টিত হওয়ায় সাঁতার ও জলভিত্তিক খেলাধুলার সম্ভাবনাও বাড়ছে।

কেপ ভার্দের ক্রীড়ার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও প্রতিভা তৈরি করা। এখানকার মানুষ ক্রীড়াকে শুধু বিনোদন হিসেবে দেখে না; বরং জাতীয় পরিচয় ও বিশ্বমঞ্চে নিজেদের তুলে ধরার একটি মাধ্যম হিসেবেও বিবেচনা করে।

জনসংখ্যা
আয়তনে ছোট কেপ ভার্দের জনসংখ্যাও তুলনামূলকভাবে কম। দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ ২০ হাজার থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষের বসবাস। তবে কেপ ভার্দের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, দেশটির বাইরে থাকা প্রবাসী জনগোষ্ঠী।

ঔপনিবেশিক সময় থেকেই জীবিকার সন্ধানে বহু কেপ ভার্দিয়ান ইউরোপ, আমেরিকা ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। বিশেষ করে পর্তুগাল, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও ইতালিতে বড় কেপ ভার্দিয়ান প্রবাসী সম্প্রদায় রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দেশের ভেতরের জনসংখ্যার চেয়েও প্রবাসী কেপ ভার্দিয়ানদের সংখ্যা বেশি বলে বিবেচনা করা হয়।

এই প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স পাঠিয়েই ভূমিকা রাখেন এবং কেপ ভার্দের সংস্কৃতি, সংগীত, ক্রীড়া ও আন্তর্জাতিক পরিচিতি তৈরিতেও অনেক অবদান রাখছেন।

জনসংখ্যার বড় অংশ সান্তিয়াগো, সাও ভিসেন্তে, সাল ও সান্তা আনতাও দ্বীপে বসবাস করে। রাজধানী প্রাইয়া দেশটির সবচেয়ে বড় শহর এবং প্রশাসন, শিক্ষা ও ব্যবসার প্রধান কেন্দ্র।

উন্নয়নে আফ্রিকার মডেল
আফ্রিকার অনেক দেশ যেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি ও সংঘাতে জর্জরিত, সেখানে কেপ ভার্দে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। দেশটি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াচ্ছে। সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তি উৎপাদনে বিনিয়োগ করছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ও ই-গভর্ন্যান্সেও ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য নয়; শিক্ষা, সুশাসন ও মানবসম্পদের উন্নয়নই যে একটি জাতির অগ্রগতির প্রধান ভিত্তি হতে পারে, কেপ ভার্দে তারই জীবন্ত প্রমাণ।

আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে ছড়িয়ে থাকা এই আগ্নেয় দ্বীপপুঞ্জের গল্প সংগ্রাম, অভিযোজন ও সাফল্যের। খরা, দারিদ্র্য ও উপনিবেশিক শাসনের দীর্ঘ ইতিহাস পেরিয়ে কেপ ভার্দে আজ আফ্রিকার উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের উজ্জ্বল প্রতীক। বিশ্বের মানচিত্রে ছোট হলেও সম্ভাবনা, সৃজনশীলতা ও মানবিক উন্নয়নের বিচারে কেপ ভার্দে নিঃসন্দেহে একটি বড় রাষ্ট্র।