স্মৃতির আঙিনায় চার বছর

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি বন্ধুসভার বন্ধুদের সঙ্গেছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিন থেকে আজ অব্দি—মাঝখানের এই চার বছরের গল্পটা শুধু একটি সংগঠনের নয়; বরং এক টুকরা জীবনের। আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি বন্ধুসভা থেকে বিদায় নিয়েছি।

সাধারণ সদস্য হিসেবে শুরু করে দপ্তর সম্পাদক, আর সবশেষে সভাপতির দায়িত্ব পালন—এই দীর্ঘ পথচলায় বন্ধুসভা ছিল আমার কাছে দ্বিতীয় পরিবার। পেছনে ফিরে তাকালে মনে পড়ে সেই অগণিত আড্ডা, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যস্ততা, বন্ধুদের সঙ্গে মান-অভিমান আর দিন শেষে কোনো এক ভালো কাজের তৃপ্তি। এ সময়টা আমাকে শিখিয়েছে নেতৃত্ব দিতে, মানুষকে ভালোবাসতে ও প্রতিকূলতায় টিকে থাকতে।

‎কৃতজ্ঞতা জানাই আমার সব বন্ধুকে, ছোট ভাইবোনদের এবং শ্রদ্ধাভাজন বড় ভাইবোনদের, যাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ পথচলা সম্ভব হতো না। বিশেষ করে জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের বড় ভাইদের ধন্যবাদ জানাই, যাঁরা আমার কঠিন সময়ে উৎসাহ দিয়েছেন। বন্ধুসভার অফিস, তৌহিদ ভাই, শাকিব ভাই, তাহসিন ভাই—আপনাদের দিকনির্দেশনা আর আড্ডাগুলো খুব মিস করব।

‎সবশেষে কৃতজ্ঞতা জানাই আমার সহধর্মিণীর প্রতি, যাঁর ত্যাগ ও নীরব সমর্থন আমাকে সব সময় সাহস জুগিয়েছে।

‎হয়তো আর ডাক আসবে না বন্ধুসভার অফিস থেকে, কিন্তু বন্ধুসভার আদর্শ থাকবে হৃদয়ে সব সময়। যেখানেই থাকি, ভালো কাজের মিছিলে নিজেকে যেন শামিল রাখতে পারি—এই দোয়া চাই।

বিদায়ী সভাপতি, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি বন্ধুসভা