বাংলা ভাষার শুদ্ধ উচ্চারণ, বন্ধুরা সবাই করতে পারি এখন

আমরা সবাই কথা বলতে পারি, কিন্তু শুদ্ধভাবে বলতে পারি না অনেকেই। আমাদের কথায় থাকে আঞ্চলিকতার টান। কারণ, জন্মের দুই বছরের মাথায় আমরা সবাই মাতৃভাষা শিখলেও সঠিক বর্ণপরিচয় ও শুদ্ধ উচ্চারণ শিখি না। ফলে আমাদের ভাষায় থেকে যায় আঞ্চলিকতা। নিজেকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে থাকে বড় ধরনের জড়তা। এক অঞ্চলের বুলি বা ভাষা হয়ে যায় অন্য অঞ্চলের গালি।

আসলে আমরা সবাই মাতৃভাষা জানলেও বাংলা ভাষার শুদ্ধ উচ্চারণ বা প্রমিত উচ্চারণ জানি না। শেখার আগ্রহ থাকলেও সুযোগ হয়ে ওঠে না। সে সুযোগ করে দিয়েছে ছলি প্রথম আলো বন্ধুসভা। প্রথম আলো বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের সহযোগিতায় সব বন্ধুর জন্য আয়োজন করা হয় “শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তি”–বিষয়ক কর্মশালা। একাধারে দুইটি কর্মশালা পরিচালনা করছে তারা।
প্রথম কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে যুক্ত ছিলেন জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের ড. সোলায়মান কবির, সাইদুল হাসান ও চৈতী চক্রবর্তী। অতিথি প্রশিক্ষক হিসেবে যুক্ত হয়েছিলেন বরেণ্য আবৃত্তিকার রবিশঙ্কর মৈত্রী। প্রথম কর্মশালা অত্যন্ত সফল ভাবে সম্পাদন করেন তাঁরা। এই কর্মশালা থেকে অনেক কিছু শিখতে পারি আমরা। আমাদের পরবর্তী শেখার চাহিদা থেকে আবার দ্বিতীয় কর্মশালার আয়োজন করে প্রথম আলো বন্ধুসভা। এ জন্য আমরা সবাই কৃতজ্ঞ।

দ্বিতীয় কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে যুক্ত হন দেশবরেণ্য আবৃত্তিকার রূপা চক্রবর্তী, রবিশঙ্কর মৈত্রী ও শিমুল মুস্তাফা। অতিথি প্রশিক্ষক হিসেবে যুক্ত ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত আবৃত্তিশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় ও আবৃত্তিশিল্পী মাহদিুল ইসলাম। একটা সময় মনে হতো, যদি দেশবরেণ্য কোনো আবৃত্তিশিল্পীর কাছে শুদ্ধ উচ্চারণবিষয়ক কর্মশালা করতে পারতাম! প্রথম আলো বন্ধুসভা একসঙ্গে দেশের সব গুণীজনের থেকে শেখার সুযোগ করে দেয়। সারা দেশের বন্ধুরা অনেক আনন্দিত এমন একটা কর্মশালা আয়োজন করায়। আমরা বলছি, ‘বাংলা ভাষার শুদ্ধ উচ্চারণ, বন্ধুরা সবাই করতে পারি এখন।’