‘প্রথম আলো বন্ধুসভা আমার একটা ভালোলাগার জায়গা। এই বন্ধুরা আমাদের অনেক সুন্দর সুন্দর কার্যক্রম ও অনুষ্ঠান উপহার দেয়। বন্ধুদের এই কার্যক্রম আমাদের নিজেদের সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গাকে আরও বিকশিত করে এবং আমরা মানুষের কল্যাণে আরও বেশি নিয়োজিত থাকার চেষ্টা করি।’ বলছিলেন ঝালকাঠি বন্ধুসভার উপদেষ্টা ইসরাত জাহান সোনালী।
৩০ জুন বিকেলে জেলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে পুনর্মিলনী ও বন্ধুমেলার আয়োজন করে ঝালকাঠি বন্ধুসভা। নতুন–পুরোনো বন্ধুদের অংশগ্রহণে সবাই স্মৃতিচারণায় হারিয়ে যান। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে ছিল গান, নাচ, কবিতা আবৃত্তিসহ নানা আয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রথম আলোর প্রতিনিধি মাহমুদুর রহমান পারভেজ বলেন, ‘বন্ধুসভার বন্ধুদের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। ওদের কাজ করার আগ্রহ আমাকে অবাক করে দেয়। কত সহজে সব প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে আয়োজনগুলোকে সাফল্যমণ্ডিত করে।’ উপদেষ্টা হাসান মাহমুদ বলেন, ‘প্রত্যেক মানুষের সমাজ ও দেশের প্রতি কিছু দায়বদ্ধতা থাকে। বন্ধুসভা আমাদের সেই দায়বদ্ধতার জায়গাটি পরিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করে দেয়।’
স্মৃতিচারণা করে উপদেষ্টা আফজাল হোসেন বলেন, ‘আমি বন্ধুসভায় অনেক বছর ধরে যুক্ত আছি। আগে সভাপতি আর এখন উপদেষ্টা হিসেবে বন্ধুসভার সঙ্গে আছি। এটি এমন একটি সংগঠন, যারা আমাদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ এবং সামাজিক দায়িত্ব পালন করতে উৎসাহ দেয়।’
শুভাকাঙক্ষী আলামিন তালুকদার বলেন, ‘প্রথম আলো নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সেরা পত্রিকা। এটি পড়লে বাংলাদেশের সার্বিক চিত্র সম্পর্কে অবগত হতে পারি। প্রথম আলোর পাঠক সংগঠন বন্ধুসভা। বিভিন্ন কাজের মধ্য দিয়ে বন্ধুসভা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখতে সক্ষম হয়েছে।’
এ সময় আরও বক্তব্য দেন ঝালকাঠি বন্ধুসভার সভাপতি মশিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, বন্ধু শাকিল হাওলাদার, আবির হোসেন, রেজাউল করিম, সাবরিনা আলম, রুবেল হাসান, খায়রুল ইসলাম, আশিকুর রহমান, বদরুল আলম, আমিনুল ইসলাম, জান্নাতুল ইসলাম প্রমুখ। বন্ধুসভায় নিজেদের কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন তাঁরা।
অনুষ্ঠানে অনলাইনের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি উত্তম রায়। তিনি ঝালকাঠি বন্ধুসভাকে শুভেচ্ছা জানান ও সাফল্য কামনা করেন। সঞ্চালনা করেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন।