তবে দূরে কোথাও নয়। কাছাকাছি কোনো স্থানে যাওয়ার পরামর্শ দেয় বন্ধুরা। জায়গা নির্ধারণ করা হয় ঢাকার অদূরে সাভারের আশুলিয়ায় অবস্থিত ফ্যান্টাসি কিংডম। ক্যাম্পাসের কাছাকাছি হওয়ায় বন্ধুরাও এতে সায় দেয়। পরিকল্পনা মোতাবেক গত ২৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ রঙের বাসে করে একঝাঁক বন্ধু ফ্যান্টাসি কিংডমের উদ্দেশে যাত্রা করি। পুরো রাস্তায় হইহুল্লোড় করতে করতে কখন যে গন্তব্যে পৌঁছে যাই, টেরই পাইনি।

default-image

সকালের কাঠফাটা রোদের মধ্যে মূল ফটকে বিশাল লাইন ঠেলে বন্ধুরা যখন ফ্যান্টাসি কিংডমে প্রবেশ করল, সবার উচ্ছ্বাস দেখে কে! শুরুতেই ‘বাম্পার কার’ রাইড! কার গাড়ি কে ঠেলতে পারে, এ‌ই প্রতিযোগিতা। একে একে ম্যাজিক কার্পেট, শান্তা মারিয়া, রোলার কোস্টারসহ দুর্ধর্ষ সব রাইডে উঠে বন্ধুদের প্রাণে কাঁপন ধরার মতো অবস্থা! ইজি ডিজি, রক এন রোল, ‌মুভিং টায়ার হাইওয়ে কনভয়, জুজু ট্রেনসহ সব কটি রাইডে চড়ার পর স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে বন্ধুরা দল বেঁধে প্রবেশ করে মূল আকর্ষণ ওয়াটার কিংডমে।

বন্ধুদের অধিকাংশেরই শরীরে ক্লান্তি ভর করেছে। পানিতে নামার সঙ্গে সঙ্গেই যেন ক্লান্তি একনিমেষেই দূর হয়ে গেল। সবাই হইহুল্লোড় করতে করতে লাফিয়ে পানিতে নামে। ড্যান্সিং জোনে নেচেগেয়ে উৎফুল্ল বন্ধুরা। এদিকে সারা দিনের অ্যাডভেঞ্চারের পর সবার পেট চোঁ চোঁ করছে ক্ষুধায়। সবাই যার যার মতো খেয়ে নিই। এবার ক্যাম্পাসে ফেরার পালা। সবার চোখেমুখেই তৃপ্তির ছাপ। একই সঙ্গে বন্ধুদের দাবি, এমন আয়োজন আরও হোক।

সাংগঠনিক সম্পাদক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা

অনুষ্ঠান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন