বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার সামনে সন্ধ্যা ছয়টায় উৎসব শুরু হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রথম আলোর প্রতিনিধি নুতন শেখ। এরপর একে একে উপদেষ্টারা বক্তব্য দেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘বন্ধুসভা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যারা তরুণদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ সঞ্চার করে এবং নিজেদের মানবতার কল্যাণে বিলিয়ে দিতে উৎসাহ জোগায়।’

বশেমুরবিপ্রবি বন্ধুসভার সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আগামী দিনে বশেমুরবিপ্রবি বন্ধুসভা বিশ্ববিদ্যালয়ে যতগুলো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আছে, সবার জন্য আদর্শ হবে। সবার প্রচেষ্টায় একদিন দেশসেরা বন্ধুসভার মধ্যেও থাকবে ইনশা আল্লাহ। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের শুধু লেখাপড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা ঠিক নয়। পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে সমাজ ও মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত।’ সাধারণ সম্পাদক আল মামুন বলেন, ‘আমরা সবাই সমাজের অংশ। সমাজের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। সেই জায়গা থেকে আমরা প্রত্যেকের জন্য কাজ করে যেতে চাই।’ সঞ্চালনা করেন পাঠাগার ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক সাদ আহমেদ।
আলোচনা পর্ব শেষে শুরু হয় র‌্যাফল ড্র। এরপর বল নিক্ষেপ এবং হাঁড়িভাঙা খেলা উৎসবে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। পুরস্কার বিতরণী শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক আয়োজন। নাচ ও গানে মনোমুগ্ধকর পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে উৎসবকে রাঙিয়ে তোলেন বন্ধুরা। সবশেষে চড়ুইভাতির মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. কামরুজ্জামান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবু সালেহ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মজনুর রশিদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ফয়সাল আহমেদ, প্রথম আলো প্রতিনিধি নুতন শেখ, বশেমুরবিপ্রবি বন্ধুসভার সাবেক সভাপতি সেলিম রেজাসহ প্রায় ৮০ জন বন্ধু।

সভাপতি, বশেমুরবিপ্রবি বন্ধুসভা