default-image

১৭ জুন শুক্রবার যশোর ইনস্টিটিউটের রওশন আলী মঞ্চে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যশোর বন্ধুসভা। বিকেল ৫টায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম আলোর প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম তাঁর স্বাগত বক্তব্যে জানান, প্রতিবছর ফল উৎসব করলেও এবারই প্রথম বর্ষাবরণ অনুষ্ঠান করা।

উৎসবে ফলের পুষ্টিগুণ নিয়ে আলোচনা করেন যশোর মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ও যশোর বন্ধুসভার উপদেষ্টা আলাউদ্দিন। সম্মাননাপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তি হলেন আবেদ আলী ও শংকর দাস।

default-image

আবেদ আলী পেশায় একজন ছাতা তৈরির কারিগর। দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে তিনি পেশার সঙ্গে যুক্ত। বাড়ি যশোর সদর উপজেলার নুরপুর গ্রামে। শংকর দাসের বাড়ি মনিরামপুর উপজেলার ভোঁজগাতি ইউনিয়নে। ১০ বছর বয়সে বাঁশের ঘুনি-চারোসহ বিভিন্ন শৈল্পিক উপকরণ তৈরির কাজে যুক্ত হন তিনি। এখনো এ পেশার সঙ্গে আছেন। তাঁদের জীবনের গল্প বন্ধুদের শোনান যশোর বন্ধুসভার বন্ধু মনিরা খাতুন ও আসিফ সাত্তার শচি।

আবেদ আলী ও শংকর দাসের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের বাংলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষাবিদ মুস্তাফিজুর রহমান ও বন্ধুসভার সভাপতি লাকি রানী কাপুড়িয়া। পাশাপাশি তাঁদের হাতে উপহার হিসেবে লুঙ্গি, গামছা ও এক দিনের কাজের সম্মানী তুলে দেওয়া হয়।

default-image

তার আগে সাংস্কৃতিক পর্বে বন্ধুদের দলীয় আবৃত্তি ‘বর্ষা বন্দনা’ পরিবেশনার পরপরই পৃথিবীর বুকে অমৃত সুধার ন্যায় নেমে আসে বৃষ্টি। দাবদাহের তীব্রতা মুছে গিয়ে চারপাশে বয়ে যায় অনাবিল প্রশান্তি। দলীয় আবৃত্তিতে অংশ নেন যশোর বন্ধুসভার বন্ধু জেমিমা বিশ্বাস, স্বপ্না খাতুন, উম্মে হাবিবা ও সৌমেন্দ্র গোস্বামী।

সবশেষে বুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ফল আহার করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা, সুধীজন ও বন্ধুরা।

লেখা: সাংগঠনিক সম্পাদক, প্রথম আলো বন্ধুসভা, যশোর

অনুষ্ঠান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন