সিলেট বিভাগের ভার্চ্যুয়াল সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরম ও কোভিড মহামারিতে লকডাউনের সময়ে অনুষ্ঠিত হলো সিলেট বিভাগের ভার্চ্যুয়াল সাংগঠনিক বৈঠক। ২৩ এপ্রিল বেলা ৩টায় বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে এক জুম মিটিংয়ে যুক্ত হন সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ, সিলেট, এমসি কলেজ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিসহ ৬টি বন্ধুসভার ৮০ জন বন্ধু।
স্বাধীনতাযুদ্ধে নিহত শহীদদের প্রতি দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়ে ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে বৈঠক শুরু হয়। ঢাকা মহানগর বন্ধুসভার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেদোয়ান মাহমুদ রেজার সঞ্চালনায় বৈঠক শুরু হয়। সূচনা বক্তব্যে বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ড. মুমিত আল রশিদ সাংগঠনিক আচরণ ও গঠনতন্ত্র নিয়ে আলোচনা করেন।
মুমিত আল রশিদ বন্ধুদের বই পড়াকে উৎসাহ দিয়ে বলেন, আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে বই পড়ার বিকল্প নেই। জাতীয় পর্ষদের সহসাংগঠনিক সম্পাদক জাবের হায়দার বলেন, ‘আদর্শবান ও সৎ মানুষ তৈরিতে বন্ধুসভা কাজ করে যাচ্ছে।’
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খায়রুন নাহার খেয়া বলেন, ‘ভালো কাজের প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই বন্ধুসভা সামনে এগিয়ে যাবে।’
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান সম্পাদক চৈতি চক্রবর্তী, ঢাকা মহানগর বন্ধুসভার দুর্যোগ ও ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক শাহ সিকান্দার শাকির।
বন্ধুদের মধ্য থেকে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি বন্ধুসভার বন্ধু আফনান সেলিম জানান, ছিন্নমূল শিশুদের শিক্ষাদানের লক্ষ্যে তারা আলোকিত পাঠশালা গড়ে তুলেছেন। শাবিপ্রবি বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক আফসারা হোসেইন হিমা বলেন, বন্ধুসভার পেজে বন্ধুদের লেখা বেশি করে প্রকাশিত হলে বন্ধুরা লেখালেখিতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত হবে।
উপস্থিত বন্ধুরা সবাই শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আস্থা ও অসাম্প্রদায়িকতায় সংকল্পবদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমে নিবেদিতপ্রাণ একজন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার প্রতিজ্ঞা করেন।
পরিশেষে বন্ধুরা পরস্পরকে অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানিয়ে বৈঠক সমাপ্ত করেন।