চৈত্রের সেতারে নববর্ষের ঐকতান

চট্টগ্রাম বন্ধুসভার বৈশাখ উদ্‌যাপন
ছবি: সংগৃহীত

পয়লা বৈশাখে বাঙালি ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসে প্রাণের টানে। সময়, স্থান কিংবা আয়োজন এখানে মুখ্য হয়ে ওঠে না। কিন্তু গত বছরের মতো এবারও করোনার প্রভাবে ম্লান হয়েছে পয়লা বৈশাখের প্রায় সব আয়োজন।

করোনার কারণে সুযোগ ছিল না ঘরের বাইরে বের হওয়ার। তাতে তো আর বৈশাখ উদ্‌যাপন থেমে থাকতে পারে না। তাই চট্টগ্রাম বন্ধুসভার বৈশাখ উদ্‌যাপনের আয়োজন ছিল এবার ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে।

‘চৈত্রের সেতারে নববর্ষের ঐকতান’ শিরোনামে এ অনুষ্ঠানের আসর বসে ১৩ এপ্রিল বিকেলে অনলাইন মাধ্যম জুমে। চৈত্রের শেষ দিনে গান, কবিতা ও কথামালার আয়োজনে পুরোনো বাংলা বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানান বন্ধুরা।

জয়শ্রী দাশ ও জয়নাল আবেদীনের সঞ্চালনায় শুরু হয় আয়োজন। শুরুতেই আশরাফ সিদ্দিকীর ‘এই বৈশাখে’ শিরোনামের কবিতা পরিবেশন করেন ফাহিম উদ্দিন। বাঙালির জীবনে নববর্ষ কীভাবে এল, সেটি নিয়ে আলোচনা করেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মিনহাজ হোসাইন।

একে একে গান ও কবিতায় বাংলাদেশের ষড়ঋতুকে তুলে ধরেন বন্ধুরা। সঞ্জয় বিশ্বাসের কণ্ঠে ছিল আনিসুল হকের ‘মানুষ জাগবে ফের’ কবিতার পরিবেশনা।

এ ছাড়া কবিতা পরিবেশন করেন সাজিয়া আফরিন ও নানজীবা মুনজারিন। ‘আলোকের এই ঝর্ণাধারা’ শিরোনামের গান পরিবেশন করেন স্বাগত সেনগুপ্ত।

জয়শ্রী মজুমদারের কণ্ঠে ছিল রজনীকান্ত সেনের লেখা গান ‘আমি অকৃতী অধম বলে’। ইশরাত জাহান পরিবেশন করেন ‘ও আমার বাংলা মা তোর’ শিরোনামের গানটি।

সাংস্কৃতিক আয়োজনের ফাঁকে ফাঁকে কথামালার আয়োজনে যুক্ত হন চট্টগ্রাম বন্ধুসভার সভাপতি তাহমিনা সানজিদা ও সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম তানভীর।

এ আয়োজনের সমন্বয়কারী হিসেবে ছিলেন স্বস্তিকা দাশ, রুম্পি চৌধুরী, ইশরাত জাহান, ইরফাতুর রহমান, সাজিয়া আফরিন ও মাহির রেজোয়ান।