বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। গল্প, উপন্যাস, নাটক, কবিতা, প্রবন্ধ—সাহিত্যের সব শাখায়ই তাঁর অবাধ বিচরণ। যুগন্ধর এই লেখকের অন্যতম কালজয়ী উপন্যাস ‘শেষের কবিতা’। ৩১ মে বিকেলে বইটি নিয়ে পাঠচক্র করেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শেখ রাসেল মাঠে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রেমের প্রকৃত সার্থকতা মিলনে নয়, বরং ত্যাগেই তার মহত্ত্বর দিক প্রস্ফুটিত হয়। অধ্যায়ভিত্তিক আখ্যানের অন্তরালে যেন এই বার্তাই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্যের মাধ্যমে সর্বসম্মুখে উপস্থাপনের প্রয়াস দেখিয়েছেন ঔপন্যাসিক। অমিত ও লাবণ্য কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেও শোভনলাল এবং কেটীকে ক্ষুদ্র পরিসরে দেখার অবকাশ মেলে না। উপন্যাসটিকে সার্থক করতে তাদের অবদানও অনস্বীকার্য।
পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক আমিনা সরকারের সঞ্চালনায় বন্ধুরা নিজেদের ভাষায় তুলে ধরেন উপন্যাসটির আদ্যোপান্ত। চরিত্র বিশ্লেষণ, গল্পের ঘটনাপ্রবাহ, প্রকৃতির বিশ্লেষণ, ঔপন্যাসিকের জীবনদর্শনসহ প্রতিটি বিষয়ই সাবলীলভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে। অনেক তথ্যবহুল বিষয় সম্পর্কে বন্ধুরা অবগত হয়েছেন। শেষে অনুষ্ঠিত হয় বইটির ওপর কুইজ এবং বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ। এতে বিজয়ী হয়েছেন জেন্ডার সমতাবিষয়ক সম্পাদক সাদিয়া আক্তার, বন্ধু কর্ণজয় ও শ্রাবণী।
পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার উপদেষ্টা নাহিদুল ইসলাম, সভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক তকিব হাসান, ইশতিয়াক আহমেদ, ইমরান হাসান, আমিনা সরকার, আতিয়া শারমিলা, সাকিবুল হাসান, সামিউল ইসলাম, সুমন আহমেদ, জাফরিন হোসাইন, সাব্বির মিয়া, রিচিল, মিখা, অর্পিতা, কর্ণজয়, শ্রাবণীসহ অন্য বন্ধুরা।
পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক, জাককানইবি বন্ধুসভা