‘অতসী মামী’ গল্পে লেখক বুঝিয়েছেন সম্পর্ক শুধু রক্তের নয়, হৃদয়েরও হয়

শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নোয়াখালী বন্ধুসভার পাঠের আসরছবি: বন্ধুসভা

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম গল্প ‘অতসী মামী’ নিয়ে পাঠের আসর করেছে নোয়াখালী বন্ধুসভা। ২৯ নভেম্বর জেলা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এটি অনুষ্ঠিত হয়। সঞ্চালনা করেন প্রচার সম্পাদক সানি তামজিদ।

১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম মুদ্রিত গল্প ‘অতসী মামী’। তাঁর বয়স তখন মাত্র কুড়ি। অথচ তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে গভীর জীবনদর্শন। লেখায় না আছে ভারি শব্দের আদিখ্যেতা, না কঠিন কথার ঝংকার।

গল্পে কেন্দ্রীয় চরিত্র অতসী মামীকে আড়াল করে বংশীবাদক যতীনের শিল্পগুণ, অভাবী জীবন আর শারীরিক যন্ত্রণা পাঠককে আকৃষ্ট করার মতো। গল্পটি সম্পর্কে কার্যকরী সদস্য নয়ন চন্দ্র কুরি বলেন, এই গল্পে লেখক বুঝিয়েছেন সম্পর্ক শুধু রক্তের নয়, সম্পর্ক হৃদয়েরও হয়। আর সেটা গল্পের সুরেশ চরিত্রের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে। অভাবকে বড় করে না দেখেও জীবনে সুখে থাকা যায়।

সভাপতি আসিফ আহমেদ বলেন, এই গল্পে লেখক দেখিয়েছেন সম্পর্কের মধুরতা, বিচ্ছেদের পীড়ন, জীবনের গভীরতর সম্পদ হারিয়েও খুঁজে পাওয়ার সুখ এবং যতীন মামার আত্মসম্মানবোধের প্রখরতা।

নোয়াখালী বন্ধুসভার পাঠের আসর
ছবি: বন্ধুসভা

প্রচার সম্পাদক সানি তামজিদ বলেন, গল্পে যতীন মামা ও অতসী মামীর খুনসুটিগুলো তাঁর খুব ভালো লেগেছে।

সাধারণ সম্পাদক উম্মে ফারহিন বলেন, আকারে ছোট হলেও চমৎকার এই গল্প পাঠকের হৃদয় আকৃষ্ট করার মতো।

পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদক আরাফাত শিহাব, বন্ধু জাহিদ হাসানসহ আরও অনেকে।

পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, নোয়াখালী বন্ধুসভা