ড্যাফোডিল বন্ধুসভার সাংগঠনিক বৈঠক

বৈঠক শেষে ড্যাফোডিল বন্ধুসভার বন্ধুরাছবি: বন্ধুসভা

সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সুসংহত, কার্যকর ও গতিশীল করার লক্ষ্যে সাংগঠনিক বৈঠক করেছে ড্যাফোডিল বন্ধুসভা। ২ মার্চ বিকেলে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সবুজে ঘেরা মনোরম বনমায়া প্রাঙ্গণে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে ড্যাফোডিল বন্ধুসভার চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনার পাশাপাশি আসন্ন ‘সহমর্মিতার ঈদ’ ও ‘বন্ধুত্বের ইফতার ২০২৬’ এবং আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সংগঠনের করণীয় নিয়ে বিস্তারিত ও গঠনমূলক আলোচনা করা হয়।

শুরুতে সংগঠনের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য এবং পূর্ববর্তী কার্যক্রম ও প্রত্যেক কার্যনির্বাহী সদস্যের সাংগঠনিক দায়িত্ব সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা উপস্থাপন করেন সভাপতি মুসাভভির সাকির। পরে অভ্যন্তরীণ পরিচর্যা, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মুসাভভির সাকির বলেন, ‘ড্যাফোডিল বন্ধুসভা কেবল একটি সংগঠন নয়, এটি মানবিকতা, বন্ধুত্ব ও সহমর্মিতার একটি শক্ত প্ল্যাটফর্ম। আমাদের প্রতিটি আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।’

বন্ধু ইসরাত জাহান সব সদস্যকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘সংগঠনের অগ্রগতির জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা ও দায়বদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

সাধারণ সম্পাদক অনিক ভূষন সাহা উপস্থিত বন্ধুদের উৎসাহিত করেন যেন তাঁরা নতুন কমিটিকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য সহযোগিতা করেন। পাশাপাশি সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা পালন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন্ধু ইশরাত হিমা, রিজভী আমিন, তানহা তাসনিম, মোহাম্মদ নাঈম, আবিদুর রহমান, ফারহান আনন্দ, জেবা আনিকা, পিয়াস সরকার, জহিরুল আলিফ, রিফাতুল ইসলাম, নুসরাত অনন্যাসহ অন্য বন্ধুরা।

বৈঠক শেষে উপস্থিত বন্ধুরা সেখানেই একসঙ্গে ইফতারে অংশ নেন। ইফতারের মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।

পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক, ড্যাফোডিল বন্ধুসভা