‘ফিরে চল শিকড়ের টানে’ স্লোগানে আনন্দভ্রমণ করে ঠাকুরগাঁও বন্ধুসভা। ২৪ আগস্ট সদর উপজেলার কচুবাড়ি কৃষ্টপুরের মাফ শিশু ও বৃদ্ধাশ্রমে এই ভ্রমণ অনুষ্ঠিত হয়।
ভ্রমণে অংশ নেওয়া বন্ধুরা গ্রামীণ আবহমান বাংলার প্রকৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচিত হন। আশ্রমের প্রাঙ্গণে থাকা মাটির ঘর, প্রাচীন বটগাছ, নানা প্রজাতির গাছপালা, পাখির কোলাহল এবং বিভিন্ন পশুপাখির অবাধ বিচরণ সবাইকে মুগ্ধ করে।
এ বিষয়ে সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের শিকড়ের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। আধুনিকতার প্রভাবে নতুন প্রজন্ম ধীরে ধীরে গ্রামীণ পরিবেশ ও আবহমান বাংলার ঐতিহ্য থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তাঁদের সেই শিকড়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই এই উদ্যোগ। আমরা চাই, তরুণেরা প্রকৃতিকে দেখুক, ভালোবাসুক এবং ঐতিহ্য ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখুক।’
শহুরে জীবনে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের অনেকের কাছেই গ্রামীণ বাংলার এমন প্রাকৃতিক পরিবেশ এখন অপরিচিত। মাটির ঘর, গাছপালা, পাখির ডাক ও পশুপাখির বিচরণ তাদের সামনে তুলে ধরে হারিয়ে যেতে বসা গ্রামীণ জীবনের চিত্র।
বন্ধু নুসরাত নিশি বলেন, ‘শুধু বিনোদন নয়, নিজেদের শিকড়, প্রকৃতি ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে জানা এবং তা সংরক্ষণের বার্তা তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াই এ ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের সঙ্গে প্রকৃতি ও শিকড়ের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করি।’
ভ্রমণে আরও অংশ নেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম ইবনে আলিফ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মারুফ হাসান, প্রচার সম্পাদক সিয়ামুর রশিদ, পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক ফারজানা উর্মি, বন্ধু পিংকি আক্তার, আল নাফিস চৌধুরী, মো. উজ্জল, আনিসসহ অন্য বন্ধুরা।