চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিরীণ আখতারের উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হওয়া এ উৎসবে দিনব্যাপী থাকে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। পুলি পিঠা, নকশি পিঠা, ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, দুধপুলি, দুধ চিতই, সেমাই পিঠা, চুটকি পিঠা, পাকন পিঠা, পাটিসাপটা, জামাই পিঠা, শামুক পিঠা, মুঠো পিঠা, হাতঝালি পিঠাসহ অসংখ্য পিঠায় সাজানো ছিল স্টলগুলো। উৎসবের আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক জোট।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার স্টলে প্লাস্টিকের ব্যবহার সীমিত রেখে পিঠাপ্রেমীদের সব ধরনের পিঠা কলাপাতায় পরিবেশন করা হয়। বন্ধুরা চেষ্টা করেছেন স্টলটিকে বাঙালি ধাঁচে তৈরি করতে। সাধারণ সম্পাদক আদিত্য গোস্বামী বলেন, ‘পিঠার মানের দিক থেকে আমরা চেষ্টা করেছি সর্বোচ্চ ভালো করতে। অনেক দিন পর হওয়া এ উৎসব চমৎকার একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।’

সাংগঠনিক সম্পাদক আমিন উদ্দিন বলেন, ‘ক্যাম্পাস হবে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর। তারুণ্যের উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা থাকবে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে। এই পিঠা উৎসব সে রকম একটি পরিবেশ সৃষ্টি করতে পেরেছে।’

প্রচার সম্পাদক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা