বন্ধুসভা মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াড ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা এবং ধারণ করা শিক্ষার্থীদের নৈতিক দায়িত্ব
‘মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানা এবং তা হৃদয়ে ধারণ করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নৈতিক দায়িত্ব। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে এবং তাদের মাঝে দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে।’
১ এপ্রিল সিলেটের হাজী আব্দুস সাত্তার বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে ‘বন্ধুসভা মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াড ২০২৬’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মুরারিচাঁদ কলেজের শিক্ষক ও বন্ধুসভার উপদেষ্টা বিলাল উদ্দিন। ‘মুক্তিযুদ্ধের আলোয় জাগ্রত তারুণ্য’ স্লোগানে এই অলিম্পিয়াডের আয়োজন করে মুরারিচাঁদ কলেজ বন্ধুসভা।
হাজী আব্দুস সাত্তার বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের শুধু জিপিএ-৫ পেলে চলবে না, তাদের হৃদয়ে লালন করতে হবে লাল-সবুজের চেতনা। মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াডের এই আয়োজন প্রমাণ করে যে তরুণ প্রজন্ম আজও বীর শহীদদের আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুরারিচাঁদ কলেজ বন্ধুসভার উপদেষ্টা অঘ্রাতা সৌরভ, রিংকু মালাকার, প্রথম আলোর সিলেট ব্যুরোপ্রধান সুমনকুমার দাশ। তাঁরা মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন—ঐতিহাসিক ঘটনা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান, বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট ও মূল্যবোধ নিয়ে কথা বলেন।
অলিম্পিয়াডে হাজী আব্দুস সাত্তার বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ৮৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়। প্রথম হয়েছে মাহিয়া মাহি, দ্বিতীয় মিশকাতুল ইসলাম, তৃতীয় সামিয়া আক্তার, চতুর্থ মাছুমা জান্নাত ও পঞ্চম হয়েছে রনি আহমেদ।
অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। পাশাপাশি তাদের বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করতে উপহার হিসেবে গাছ দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেন বৃক্ষবন্ধু শাহ সিকান্দার শাকির।
অনুষ্ঠানে বন্ধুদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফয়সাল আহমদ, মেহেদী হাসান, লিমা তালুকদার, উদয় সরকার, প্রজ্ঞা চৌধুরী, মনোয়ার হোসেন, অনুপ দাস, তামান্না ইসলাম, পিনা ইসলাম, তৃনা তালুকদার, রাসেল আহমদ, ঐশীসহ অন্য বন্ধুরা।
সাধারণ সম্পাদক, মুরারিচাঁদ কলেজ বন্ধুসভা