সাহিত্যিক ও গীতিকার হেমেন্দ্রকুমার রায় রচিত রহস্য ও রোমাঞ্চে ভরা কিশোর উপন্যাস ‘কে’ নিয়ে ভার্চ্যুয়ালি পাঠচক্রের আসর করেছে ড্যাফোডিল বন্ধুসভা। ১৮ মার্চ রাত ১০টায় গুগল মিট অ্যাপে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
শুরুতেই সঞ্চালক জেবা আনিকা উপস্থিত বন্ধু ও সাহিত্যপ্রেমীদের সামনে গল্পের মূল ভাব, পটভূমি এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘গল্পটি কেবল রহস্যময় নয়, এটি আমাদের মানুষের চরিত্রের সূক্ষ্ম দিকগুলো এবং কঠিন পরিস্থিতিতে মানুষের মানসিক প্রতিক্রিয়ার গভীরতা উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। প্রতিটি চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য আমাদের জীবনের বাস্তব প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে। পাঠক গল্পটি পড়ার সময় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কৌতূহল ও উত্তেজনায় আবদ্ধ থাকে।’
পাঠচক্রে গল্পের প্রধান চরিত্র যেমন ইন্সপেক্টর সুন্দরবাবু, চন্দ্রনাথ, রণজিৎ ও সুদর্শনকে নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়। জেবা আনিকা তুলে ধরেন, কীভাবে রহস্যের প্রতিটি মোড় এবং চরিত্রের বৈশিষ্ট্য গল্পকে আরও গভীর এবং পাঠককে যুক্তি ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে যুক্ত করে।
সভাপতি মুসাভভির সাকির উপন্যাসের রহস্যময় কাহিনি, চরিত্র বিশ্লেষণ এবং মানব প্রকৃতির ওপর গল্পের প্রভাব আলোচনা করেন।
বন্ধু সালমান ইসলাম পুরো উপন্যাসটি আরও বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন। তিনি উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যাবলি এবং চরিত্রগুলোর বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে উপস্থিত সদস্যদের মনোযোগ আকর্ষণ করেন। তাঁর বিশ্লেষণে গল্পের প্রতিটি মোড়, উত্তেজনা এবং রহস্যের সঙ্গে পাঠকের সংযোগ কেমনভাবে স্থাপিত হয়, তা সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে। সালমান ইসলাম বলেন, ‘উপন্যাসের পরিপ্রেক্ষিতে যে কেউ আসলে বন্ধু হয় না। কারও ওপর অন্ধভাবে বিশ্বাস করতে নেই।’
পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন বন্ধু মোফাকখারুল মারুফ, মোস্তফা মাহফুজ, মোহাম্মদ নাঈম, সালমান ইসলাম, জেবা আনিকা, সুমাইয়া তৃশা, আবিদুর রহমান, সুমন হোসেন, হাফসা হাবিব, সাফী মাহি, জুবায়ের মাহমুদসহ আরও বন্ধুরা।
পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক, ড্যাফোডিল বন্ধুসভা