ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত কালজয়ী ছোটগল্প জহির রায়হানের ‘একুশের গল্প’। বইটি নিয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ভার্চ্যুয়ালি পাঠচক্রের আসর করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বন্ধুসভা।
পাঠ আলোচনায় বন্ধু মানসুরা খাতুন বলেন, গল্পে তপু নামের এক ভাষাসৈনিকের আত্মত্যাগ ও পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার চার বছর পর কঙ্কালরূপে ফিরে আসার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের তীব্রতা, ভয়াবহতা এবং বাঙালির আত্মত্যাগের মহিমা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এ গল্পের প্রধান চরিত্র মেডিক্যাল শিক্ষার্থী ও ভাষাসৈনিক তপু, তপুর বন্ধু এবং গল্পের বর্ণনাকারী রাহাত, তপুর স্ত্রী রেণু।
চার বছর আগে ভাষা আন্দোলনে হাইকোর্টের মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত তপুর কঙ্কাল খুঁজে পাওয়া, যা মূলত ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও ত্যাগের এক প্রতীকী রূপ। এর মাধ্যমে মিছিলে তপুর অংশগ্রহণ, পুলিশের বাধা এবং পরবর্তী সময়ে কঙ্কাল হিসেবে তপুর ফিরে আসার ধারাবাহিক ঘটনা আমাদের একেবারে চোখের সামনে ভেসে উঠবে। চোখে ধরা দেবে সেদিনের সেই ভয়াবহ পরিস্থিতি। এ বইয়ের মাধ্যমে লেখক ১৯৫২ সালের উত্তাল দিনগুলোর একটি সংবেদনশীল ও প্রতিবাদী চিত্র অঙ্কন করেছেন, যা ভাষার জন্য বাঙালির ত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন, সভাপতি মাসরুফা খাতুন, সহসভাপতি ফারাহ্ উলফাৎ রহমান, মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক রামিজ আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবরিন আখতার, সৈয়দ নাফিউল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মুশফিক মাহাদী, দপ্তর সম্পাদক ফাহিম আসেফ, পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক আরাফাত মিলেনিয়াম, জেন্ডার ও সমতাবিষয়ক সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মেরাজুল ইসলামসহ অন্যরা।
সভাপতি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ বন্ধুসভা