বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের আহ্বানে রাজবাড়ী ও গোয়ালন্দ বন্ধুসভা বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় এক হাজার গাছের চারা রোপণ করেছে। বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং রাস্তাঘাটের পাশে সেপ্টেম্বর মাসব্যাপী এই কর্মসূচি পালন করেন বন্ধুসভার সদস্যরা।
২১ সেপ্টেম্বর বন্ধুসভার সদস্যরা গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং একটি রাস্তার ধারে বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা রোপণ করেন। একই সঙ্গে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে কিছু চারা রোপণের জন্য তুলে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোয়ালন্দ বন্ধুসভার উপদেষ্টা রাবেয়া ইদ্রিস মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল কাদের শেখ, রাজবাড়ী সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও রাজবাড়ী বন্ধুসভার সভাপতি সুরাজিত চক্রবর্তী, গোয়ালন্দ বন্ধুসভার সভাপতি জাকির হোসেন, সাবেক সভাপতি জীবন চক্রবর্তী, সাবেক সভাপতি লুৎফর রহমান, সাবেক সভাপতি শেখর আহমেদ, সহসভাপতি মঈনুল হক মৃধা, সাধারণ সম্পাদক সফিক মণ্ডল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, বন্ধু অজয় দাস, শরীফ ইসলাম, সোহেল রানা ও আফজাল মণ্ডল।
গোয়ালন্দ বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক সফিক মণ্ডল বলেন, ‘আমরা গোয়ালন্দ ও রাজবাড়ী বন্ধুসভা যৌথভাবে এবারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। ১ সেপ্টেম্বর থেকে মাসব্যাপী দুই উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ করছি। এ ছাড়া বিভিন্ন রাস্তাঘাটের ধারে, বিদ্যালয়, হাসপাতালসহ সরকারি অফিস চত্বরেও চারা রোপণ করেছি। ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৮৫০টির মতো বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, ‘এবার গোয়ালন্দ ও রাজবাড়ী বন্ধুসভার যৌথ উদ্যোগে দেড় হাজার গাছের চারা রোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। তারই আলোকে আরও ছয় শতাধিক চারা এই মাসের মধ্যে রোপণের প্রস্তুতি চলছে।’
রাজবাড়ী বন্ধুসভার বন্ধু মনিরুজ্জামান সোহেল বলেন, ‘গোয়ালন্দ বন্ধুসভার সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা প্রায় দেড় হাজার গাছের চারা রোপণের কর্মসূচি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। এমন সুন্দর কর্মসূচি শুধু প্রথম আলো বন্ধুসভার পক্ষেই সম্ভব। আমরা একদিন এই রাজবাড়ীকে সবুজ নগরীতে পরিণত করতে চাই।’
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মারুফ হাসান বলেন, ‘প্রথম আলোর সব কর্মকাণ্ড দেশ ও সমাজের কল্যাণের জন্য। আমি নিজেও ছাত্রজীবনে বন্ধুসভার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। রক্তদান কর্মসূচি, বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের মতো নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করেছি। বন্ধুসভার বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি অনেক প্রশংসনীয়। এখানে বিনা স্বার্থে দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করি।’