সংগঠনে যুক্ত থাকলে নিজেকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ থাকে

ময়মনসিংহ বন্ধুসভার সাংগঠনিক দক্ষতা কর্মশালাছবি: বন্ধুসভা

‘সংগঠন নিজেকে সমৃদ্ধের পাশাপাশি একজন মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে ছুটে চলা ও অসহায়ের পাথেয় হিসেবে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর মতো মানবিক কাজগুলো করতে শেখায়। সবারই উচিত ভালো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকা। এতে নিজেকে সমৃদ্ধ করার অনেক সুযোগ থাকে।’

ময়মনসিংহ বন্ধুসভার উদ্যোগে সাংগঠনিক দক্ষতা কর্মশালায় এ কথা বলেন উপদেষ্টা আলী ইউসুফ। ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ময়মনসিংহ কমার্স কলেজ মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

তিন পর্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক উম্মে সালমা। বন্ধুসভার গঠনতন্ত্র নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক মোস্তাফিজুর রহমান।

বন্ধুসভা কী, বন্ধুসভা কীভাবে কাজ করে, বন্ধুসভা কেন অন্য সংগঠনগুলো থেকে আলাদা—এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন ময়মনসিংহ কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ এখলাস উদ্দিন খান। তিনি বলেন, ‘একজন সংগঠক বুদ্ধিমত্তা ও কাজ দিয়ে অন্যদের আকৃষ্ট করতে পারেন। তাই সংগঠনে দক্ষ সংগঠক অবশ্যই থাকতে হবে।’

সংগঠক কে, দক্ষ সংগঠক কী, দক্ষ সংগঠক হতে হলে কী কী করতে হয়, নেতৃত্বের বিকাশ ও নেতার গুণাবলি বিষয়গুলোর ওপর আলোচনা করেন ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ মো. শওকত আলী। প্রত্যেক সদস্যকে তাঁদের দায়িত্ববোধ ও কীভাবে আগামী এক বছর নিজেদের দায়িত্ব থেকে নতুন নতুন কাজ করতে পারবেন, সে বিষয়েও দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার সাংগঠনিক কর্মপরিকল্পনা, সাংগঠনিক আত্মবিশ্বাস ও আত্মসচেতনতা বিষয়ের ওপর বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ তার ভাবনার সমান বড়। এ জন্য ভালো পরিকল্পনা করা এবং তা বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকতে হবে।’

সবশেষে উপদেষ্টারা নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। কর্মশালার সমন্বয়কারী হিসেবে ছিলেন সহসভাপতি রাবিয়াতুল বুশরা, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুনমুন আহম্মেদসহ নবগঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা।

সভাপতি, ময়মনসিংহ বন্ধুসভা