নতুন বছর নতুন প্রত্যয় ও নতুন অঙ্গীকারে কাটুক

জেলা প্লেসক্লাব মিলনায়তনে নোয়াখালী বন্ধুসভার বৈশাখী আড্ডাছবি: বন্ধুসভা

বাংলা নববর্ষে বাঙালি ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে উদ্‌যাপন করতে ‘বৈশাখী আড্ডা’ আয়োজন করেছে নোয়াখালী বন্ধুসভা। ‘নব আনন্দে জাগো, নববর্ষের আহ্বানে’ স্লোগানে ১৪ এপ্রিল সকাল আটটায় জেলা প্লেসক্লাব মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতি আসিফ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্যে ছিল গান, কবিতা আবৃত্তি ও রম্যকথা। ছিল বাঙালিয়ানা খাবার পান্তাভাত ও হরেক রকম ভর্তা। বেগুনভর্তা, বেগুন ভাজা, আলুভর্তা, টমেটোভর্তা, শুঁটকিভর্তা, রসুনভর্তাসহ প্রায় ১০ রকমের ভর্তার সমাহার।

উপদেষ্টা ও সাবেক সভাপতি সুমন নূর বলেন, ‘আমার ছোটবেলায় নববর্ষ ছিল একটা মহাখুশির দিন। মেলায় যাওয়া, নাগরদোলায় ওঠা, আমের ভর্তা খাওয়াসহ নানা রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতায় ভরপুর।’ তিনি বন্ধুসভাকে এমন আয়োজন ধরে রাখার আহ্বান জানান।

উপদেষ্টা মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘বন্ধুসভা বরাবরই বাঙালি ইতিহাস ও সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করে। সব ধরনের অশুভকে রুখে দেবে বন্ধুসভা ও তাদের আয়োজন।’ এ ছাড়া তিনিও তাঁর দীর্ঘ জীবনের বিভিন্ন সময়ের বৈশাখ উদ্‌যাপনের স্মৃতিচারণা করেন।

নোয়াখালী বন্ধুসভার বন্ধুরা।

সাবেক সভাপতি উম্মে ফারহিন বলেন, ‘নতুন বছর নতুন প্রত্যয় এবং নতুন অঙ্গীকারে কাটুক। সবাই সব সময় একসঙ্গে থাকব এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যাব।’

বন্ধু আনিকা ইসলাম বলেন, ‘নতুন বছরে বন্ধুদের সঙ্গে অনেক দিন পর দেখা হয়ে ভালো লাগল। পান্তা-ভর্তার লোভনীয় আয়োজন শৈশবকে মনে করিয়ে দিচ্ছে।’

খাওয়াদাওয়া ও আড্ডা শেষে বন্ধুরা মেলায় ঘুরতে যান। বৈশাখী আড্ডা আয়োজনের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহসভাপতি মো. শিমুল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক সানি তামজীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নয়ন চন্দ্র কুরী, অর্থ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফাতেমা কানিজ, কার্যনির্বাহী সদস্য রুমাইয়া সুলতানা, বন্ধু মাজেদ, আনিকা, মালিহা, সামান্তা, বাপ্পিসহ অনেকে।

সহসভাপতি, নোয়াখালী বন্ধুসভা