সাতক্ষীরা বন্ধুসভার পাঠচক্রে ‘সুন্দরবনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য’

সাতক্ষীরা বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসরছবি: বন্ধুসভা

সুন্দরবনের অন্যতম প্রবেশদ্বার সাতক্ষীরা জেলা। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এ জেলার সীমানাজুড়ে বিস্তৃত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, জীববৈচিত্র্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্ব ঐতিহ্যেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ঐতিহ্য সম্পর্কে তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বই পাঠের অভ্যাস গড়ে তুলতে পাঠচক্রের আসর করেছে সাতক্ষীরা বন্ধুসভা।

সম্প্রতি প্রথম আলো সাতক্ষীরা অফিসে অনুষ্ঠিত এই পাঠচক্রে আলোচনা করা হয় চারণ কবি চারু চরণ বালা রচিত ‘সুন্দরবনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য’ বই নিয়ে। পাঠ আলোচনায় সুন্দরবনের ঐতিহাসিক পটভূমি, পরিবেশগত গুরুত্ব, জীববৈচিত্র্য, স্থানীয় সংস্কৃতি এবং উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে এর নিবিড় সম্পর্ক তুলে ধরা হয়।

সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘সুন্দরবন বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় একটি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষাবেষ্টনী হিসেবে কাজ করে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর পাশাপাশি এটি অসংখ্য প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসস্থল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ফলে সুন্দরবনকে ঘিরে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়গুলো সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সচেতন করে তোলা অত্যন্ত জরুরি।’

সহসভাপতি রাহাতুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কপথে সুন্দরবন ভ্রমণ সাতক্ষীরা জেলা থেকে সম্ভব। এই জেলার সঙ্গে সুন্দরবনের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। জেলার বিভিন্ন এলাকা দিয়ে পর্যটক, গবেষক ও প্রকৃতিপ্রেমীরা সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। তাই সুন্দরবনের ঐতিহ্য, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে স্থানীয় তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।’

সাংগঠনিক সম্পাদক করিমন নেছার সঞ্চালনায় পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের বিল্যাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোকাররাম বিল্লাহ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক নাঈমুর রহমান, পাঠচক্র ও পাঠাগার সম্পাদক সুদীপ্ত দেবনাথ, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক শাশ্বত পার্থিবসহ অন্যান্য বন্ধুরা।

সাধারণ সম্পাদক, সাতক্ষীরা বন্ধুসভা