ভাসমান পেয়ারা হাটে ঝালকাঠি বন্ধুসভার আনন্দভ্রমণ
ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারা হাট ভিমরুলী, আদমকাঠি, আটঘর ও কুরিআনায় আনন্দভ্রমণ করেছেন ঝালকাঠি বন্ধুসভার বন্ধুরা। ৭ আগস্ট বন্ধুরা ট্রলারে করে এ স্থানগুলো ঘুরে দেখেন।
ট্রলার ছাড়ার পর থেকেই ঝুম বৃষ্টি, বৃষ্টির ফোঁটায় ফোঁটায় মুখর হয়ে ওঠে খাল। খালের বুক চিরে ছুটে চলে বন্ধুদের বহনকারী ট্রলার, দেখা মেলে খালে ছোট ছোট ডিঙি নৌকা আর নৌকাভর্তি টাটকা পেয়ারার। খালের দুই পাশে সারি সারি সবুজ পেয়ারাবাগান, ঘরবাড়ি, স্কুল, ব্রিজ ও ছোট ছোট রাস্তা—সব মিলিয়ে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ।
খালের ধারে পেয়ারাবাগান। কৃষকেরা সেখান থেকে পেয়ারা সংগ্রহ করে নৌকায় ভরে নিয়ে আসছিলেন ভাসমান হাটে। সেখান থেকে ট্রলার ও ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলের সুস্বাদু এই ফল। প্রকৃতি, কৃষি ও মানুষের জীবিকার অপূর্ব সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে দেশের সবচেয়ে বড় ভাসমান পেয়ারার হাট।
যথেষ্ট ভিড় ছিল পেয়ারাবাগানের পার্ক গুলোতে। কেউ এসেছিলেন সবান্ধব, কেউ সপরিবার, আর আমরা বন্ধুরা ছিলাম ৩৫ জন। মানুষের ঢল নামে ভাসমান হাট ও পেয়ারা পার্কে। ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা, সহনশীলতা, আড্ডা, গান, কবিতা, গল্পে, খেলাধুলায় মুখর সময়টা যে কখন শেষ হয়ে গেল, তা আমরা টেরই পেলাম না।
দুপুরের খাবার শেষে সবাই যখন আবার ট্রলারে উঠে বসলাম। শুরু হলো নিজেদের অনুভূতি প্রকাশের পালা। আরও কিছুক্ষণ আনন্দঘন পরিবেশে নিজেদের ভালো লাগা জানিয়ে অনেকেই বললেন অনেক কথা।
আয়োজনে যাঁরা ছিলেন, দিনটি স্মরণীয় করে রাখায় তাঁদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আনন্দভ্রমণের সমাপ্তি ঘোষণা করেন সভাপতি শাকিল রনি।
সভাপতি, ঝালকাঠি বন্ধুসভা