পিঠা উৎসব বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি। কিন্তু সেই উৎসবের রং লাগে না শহরের ছিন্নমূল শিশু ও শ্রমজীবী মানুষদের মধ্যে। এমন মানুষদের নিয়ে পিঠা উৎসব করেছে সিলেট বন্ধুসভা। ২০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় নগরীর কিনব্রিজের চাঁদনি ঘাটে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
সুরমা নদীর বুকে দাঁড়িয়ে থাকা কিনব্রিজ সিলেটের ইতিহাস ও সংস্কৃতির জীবন্ত সাক্ষী। সেই গৌরবময় স্থানে অর্ধশত শিশু ও শ্রমজীবী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বন্ধুরা মিলিত হন আনন্দ আর ভাগাভাগির পিঠা উৎসবে।
উৎসবে অংশ নেওয়া শিশু তাসনিয়া বলে, ‘আম্মু সারা দিন বাইরে কাম করে, পিঠা বানানোর সময় পায় না। মানুষরে দেখি পিঠা খায়, মজা করে, আমি খাইতে পারি না।’
উৎসবে বন্ধুরা নিজ নিজ বাড়ি থেকে পিঠা তৈরি করে নিয়ে আসেন। পিঠার তালিকায় ছিল মালপোয়া, পাটিসাপটা, নুনের বড়া/নুনের সন্দেশ, ফুলঝুরি পিঠা, বকফুল ও সুজির পিঠা।
সিলেট বন্ধুসভার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অনুপমা দাস বলেন, পিঠা উৎসব শুধু বাঙালির ঐতিহ্য সংরক্ষণের আয়োজন নয়, এটি মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বন্ধু দেব রায় সৌমেন, শেখ ফয়সাল আহমেদ, মাজেদুল ইসলাম, আইনুল আহমদ, কৃত্য ছত্রী, সমরজিৎ হালদার, অনুপমা দাস, মিন্থিয়া রহমান, সৌম্য মন্ডল, প্রাণেশ দাস, জামিউল হাসান, প্রণব চৌধুরী, অম্লান রায়সহ অন্য বন্ধুরা।
সভাপতি, সিলেট বন্ধুসভা