রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসে ভার্চ্যুয়াল আলোচনাসভা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসে নোয়াখালী বন্ধুসভার ভার্চ্যুয়াল আলোচনাসভা।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের একজন দিকপাল এবং বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম প্রভাবশালী লেখক হিসেবে পরিচিত। রবীন্দ্রনাথকে ছাড়া সাহিত্যজগৎ কল্পনা করাও দুষ্কর! তিনি তাঁর কর্মের মাধ্যমে আজও আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন।

গত ২২ শ্রাবণ, বাংলা ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ছিল এই মহান লেখকের ৮৪তম প্রয়াণ দিবস। এ উপলক্ষে কবিগুরুর স্মরণে নোয়াখালী বন্ধুসভা আয়োজন করে অনলাইন আলোচনাসভা। রাত ১০টায় গুগল মিটে অনুষ্ঠিত এই সভার সঞ্চালনা করেন পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক শাহিদা রেশমি।

পরিচয়পর্ব শেষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে বন্ধুরা অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক সাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ এক কালজয়ী নাম। এমন কোনো শিল্পকর্ম নেই, যেখানে তিনি অবদান রাখেননি। আমাদের জাতীয় সংগীতের রচয়িতাও তিনি।’

সাংগঠনিক সম্পাদক সানি তামজীদ রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং ‘অনন্ত প্রেম’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন। সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শিমুল ‘নির্জরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন।

স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘“গীতাঞ্জলী” কাব্যের জন্য নোবেল বিজয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে যতই বলা হোক কম বলা হবে। সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই, যেখানে তাঁর অবদান নেই।’

সহসভাপতি জেরীন ফাহমিদা বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ এমন একজন মানুষ, যিনি সাহিত্যপ্রেমীদের মনে সব সময় বিরাজ করেন। যেমন বৃষ্টির দিনে আমরা মনে মনে গেয়ে উঠি, আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদলদিনে...। আবার মন খারাপে, মন ভালোতে, প্রেম-ভালবাসার ক্ষেত্রে, অভিমানে—সব অনুভূতিতে রবীন্দ্রনাথকে স্মরণ করি। রবীন্দ্রনাথ হলো আমাদের কাছে ভাতের মতো।’ এরপর তিনি ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’ গানটি গেয়ে শোনান।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসে নোয়াখালী বন্ধুসভার ভার্চ্যুয়াল আলোচনাসভা।

দপ্তর সম্পাদক নয়ন চন্দ্র কুরী ‘মম চিত্তে...কে যে নাচে...’ গানটি পরিবেশনা করেন। পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক শাহিদা রেশমি কবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তাঁরই লেখা ‘প্রাণ’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন। বলেন, ‘শেষ হইয়াও হইল না শেষ’ কথাটি রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পেই সব সময় অনুধাবন করা যায়। ছোটগল্প মাথায় আসতেই সবার আগে রবীন্দ্রনাথের নাম মনে আসে।

এরপর বন্ধু শান্ত চন্দ্র দে কবিকে স্মরণ করে ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের কিছু অংশ পাঠ করেন। পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রশিক্ষণ সম্পাদক জাহিদুল হাসান, বন্ধু ফাতেকুর রহমান প্রমুখ।

পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক, নোয়াখালী বন্ধুসভা