খুব ছোটো থেকেই দীপাকে অনেক বাধাবিপত্তির মুখোমুখি হতে হয়। আসলে হতে বাধ্য করা হয়। পরিস্থিতির চাপে চেনা পরিবেশ হঠাৎ অচেনা হয়ে উঠে দীপা। তবে সে থেমে থাকেনি। সব সময় অন্ধকার থেকে বের হওয়ার জন্য সংগ্রাম করে গেছে একা একা। সেই সংগ্রাম ছিল সমাজের বিরুদ্ধে, পরিবারের বিরুদ্ধে, এমনকি নিজের বিরুদ্ধেও। একজন নারীও যে পুরুষের চেয়ে কোনো অংশে কম না, তা দীপাবলি বুঝিয়ে দিয়েছে চোখে আঙুল দিয়ে। সাধারণের মধ্যে দীপাবলি অসাধারণ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তার চরিত্রের বিকাশ এবং জীবনবোধের পরিবর্তন গল্পটিকে অন্য এক রূপ দিয়েছে। বাংলার প্রতিটি নারীই দীপাবলির মধ্যে অল্প হলেও নিজেকে খুঁজে পাবে।
গল্পটি সমরেশ মজুমদার রচিত ‘সাতকাহন’ উপন্যাসের। ৩১ মার্চ বইটি নিয়ে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ প্রাঙ্গণে পাঠচক্র করেছে জামালপুর বন্ধুসভা। এটি তাদের চলতি বছরের তৃতীয় পাঠচক্র।
দীপাবলি চা–বাগানে কেরানি বাবার আদর–স্নেহে বড় হওয়া এক মেয়ে। যার উত্থান-পতন নিয়ে সমরেশ মজুমদার সৃষ্টি করেছেন তাঁর অন্যতম সেরা সৃষ্টি ‘সাতকাহন’।
শুরুতেই পাঠচক্রের বিষয় ও উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলেন সভাপতি সিফাত আবদুল্লাহ। এরপর বন্ধুরা বই থেকে কিছু কিছু অংশ পড়ে শোনান। উপস্থিত সব বন্ধু মনোযোগ দিয়ে সেই পঠন শোনেন। বন্ধু মৌসুমি মিশু উপন্যাসটির প্রথম খণ্ড ও বইমেলা সম্পাদক রুবেল হাসান দ্বিতীয় খণ্ড নিয়ে তাঁদের লেখা রিভিউ পড়ে শোনান।
পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন জামালপুর বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক সানি সিরাজ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামানসহ আরও অনেকে।
তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক, জামালপুর বন্ধুসভা