রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কর্তার ভূত’ নিয়ে ঠাকুরগাঁও বন্ধুসভার পাঠচক্র

ঠাকুরগাঁও বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসরছবি: বন্ধুসভা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যঙ্গাত্মক রচনা ‘কর্তার ভূত’ নিয়ে পাঠচক্র করেছে ঠাকুরগাঁও বন্ধুসভা। ১৯ আগস্ট বিকেলে সদর উপজেলার কচুবাড়ি কৃষ্টপুর মাফ শিশু-বৃদ্ধা আশ্রম প্রাঙ্গণে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

পাঠচক্রে বন্ধুরা পর্যায়ক্রমে ‘কর্তার ভূত’ বইটি পাঠ করেন। পরে গল্পটির পটভূমি, চরিত্র, বিষয়বস্তু ও সামাজিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কর্তার ভূত’ গল্পে অন্ধ আনুগত্য, ভয়, কুসংস্কার ও যুক্তিহীনতার মাধ্যমে সমাজের নানা অসংগতিকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। পাঠচক্রে অংশগ্রহণকারী বন্ধুরা গল্পটির বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শিহাব বলেন, ‘“কর্তার ভূত” শুধু একটি গল্প নয়; এর মধ্যে সমাজের নানা বাস্তবতা ও অসংগতির চিত্র ফুটে উঠেছে। গল্পটি আমাদের অন্ধভাবে কোনো কিছু অনুসরণ না করে যুক্তি দিয়ে চিন্তা করতে শেখায়। পাঠচক্রের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস তৈরি এবং মুক্তভাবে চিন্তা করার সুযোগ সৃষ্টি করাই আমাদের উদ্দেশ্য।’

ঠাকুরগাঁও বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসর।

সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘পাঠাভ্যাস মানুষের চিন্তা ও মননকে সমৃদ্ধ করে। একটি ভালো বই বা গল্প সমাজকে নতুনভাবে দেখার সুযোগ তৈরি করে। তাই তরুণদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে নিয়মিত পাঠচক্র আয়োজন করা প্রয়োজন।’

পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম ইবনে আলিফ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মারুফ হাসান, প্রচার সম্পাদক সিয়ামুর রশিদ, পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক ফারজানা উর্মি, বন্ধু নুসরাত নিশি, পিংকি আক্তার, আল নাফিস চৌধুরী, মো. উজ্জল, আনিসসহ অন্য বন্ধুরা।

সাধারণ সম্পাদক, ঠাকুরগাঁও বন্ধুসভা