বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে যুবসমাজকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্ধুসভা আয়োজন করছে ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ‘দ্য ইংলিশ ওরাটরি’। ২৩ মে চট্টগ্রাম বন্ধুসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এটির দ্বিতীয় সেশন। এতে বন্ধুসভার বন্ধুরা অংশ নেন।
এই পর্বেও মেন্টর হিসেবে ছিলেন জামালখান কুসুম কুমারী গার্লস হাইস্কুলের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক এবং চট্টগ্রাম বন্ধুসভার সভাপতি রুমিলা বড়ুয়া। সেশনে ইংরেজি ভীতি দূর করে কীভাবে সাবলীল ও আকর্ষণীয়ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করা যায়, তারই এক প্রাণবন্ত পাঠশালা বসে।
প্রশিক্ষক রুমিলা বড়ুয়া প্রথাগত নিয়মের বাইরে গিয়ে বেশ কিছু চমৎকার ও কার্যকর ‘হুক পয়েন্ট’ তুলে ধরেন। তিনি অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও কার্যকর ভঙ্গিতে শিখিয়ে দেন—কীভাবে বক্তৃতার শুরুতেই শ্রোতাদের মনোযোগ পুরোপুরি নিজের দিকে কেড়ে নেওয়া যায়। শুধু গণবক্তৃতা বা ওরাটরি নয়, বরং চাকরির ইন্টারভিউ কিংবা যেকোনো আনুষ্ঠানিক জায়গায় কীভাবে অত্যন্ত মার্জিত, গ্রহণযোগ্য ও আকর্ষণীয় ভাষায় নিজের বক্তব্য পেশ করা যায়, তার বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
কর্মশালার মূল আকর্ষণ ছিল ‘টেল মি অ্যাবাউট ইয়োরসেলফ’ বা নিজের সাধারণ পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে আরও গভীরে যাওয়া। মেন্টরের দিকনির্দেশনায় শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত সাবলীলভাবে ইংরেজিতে নিজেদের পছন্দ-অপছন্দ, ভালো লাগা, ব্যক্তিগত আগ্রহের জায়গা এবং বিভিন্ন বিষয়ে নিজের সমঝোতা বা মতামত প্রকাশের কৌশলগুলো রপ্ত করেন।
ইংরেজি ভাষার প্রচার, প্রসার ও তরুণদের দক্ষতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এই ওরাটরি কর্মশালাটি যে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখছে, তা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের চোখ-মুখের আত্মবিশ্বাস দেখেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। সেশন শেষে বন্ধু তাহফিমুল আলম বলেন, ‘আজ এই কর্মশালা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।’
বন্ধু খালিদ বিন বশির বলেন, ‘সবারই উচিত এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করা।’
বন্ধু নাজিফা তাজরিয়ান বলেন, ‘ভাষা শিক্ষায় দরকার অধ্যবসায়, এ জন্য কর্মশালার প্রতিটি পর্বে ধারাবাহিক উপস্থিতি অপরিহার্য।’
আয়োজন বাস্তবায়নে কাজ করেছেন বন্ধু আমেনা রুমি, তুষার কবির ও তাজরিয়া রশিদ।
বন্ধু, চট্টগ্রাম বন্ধুসভা