বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তি কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাঙালি সমাজকে তিনি উপহার দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী সৃষ্টি। এই লেখকের সামাজিক-পারিবারিক উপন্যাস ‘মীরার গ্রামের বাড়ী’ নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে জামালপুর বন্ধুসভা। ৩ মার্চ সকালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ প্রাঙ্গণে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মীরা—একজন বুদ্ধিমতী অথচ কিছুটা বদমেজাজি তরুণী। তার বাবা বিচারপতি আজাহার সাহেব এবং মা মনোয়ারা বেগম। ছোট বোন শেফাকে নিয়ে তাদের সাজানো–গোছানো শহুরে জীবন। গল্পের শুরু হয় আজাহার সাহেবের পৈতৃক নিবাস নেত্রকোনায় সপরিবারে শীতের ছুটি কাটাতে যাওয়ার মধ্য দিয়ে।
গ্রামের নির্মল আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের আড়ালে লুকিয়ে থাকে মীরার এক গোপন কষ্ট। ঢাকার এক ছেলের সঙ্গে তার জটিল ও অবৈধ সম্পর্কের প্রভাব পড়ে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর। গ্রামে এসে অসুস্থ মীরা এক রাতে সব সত্য তার মায়ের কাছে প্রকাশ করে দেয়। মুহূর্তেই সুখী পরিবারের মেঘমুক্ত আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা নেমে আসে। মা মনোয়ারা বেগম অত্যন্ত কৌশলে ও ধৈর্যের সঙ্গে এই সংকট উত্তরণের চেষ্টা করেন। মূলত সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং পারিবারিক বন্ধনের দৃঢ়তা নিয়েই উপন্যাসের সমাপ্তি ঘটে।
পাঠচক্রে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা সিফাত আব্দুল্লাহ, মহসিন কাকন, সভাপতি অন্তরা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মিয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক বাকি বিল্লাহ্, দপ্তর সম্পাদক নাহিদুল হাসান, প্রচার সম্পাদক আবিদা সুলতানা, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক তাসবির রহমান, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক জোবাইর আদিল, বইমেলা সম্পাদক নাইমুল শাকিল, কার্যনির্বাহী সদস্য মহসিন মিরাজ, বিজয়, অয়ন ও সানজিদা।
মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক, জামালপুর বন্ধুসভা