গোবিপ্রবি বন্ধুসভার পাঠচক্রে সুকান্ত বিশ্বাসের ‘ভূতের রাজা কিং ভূত’

গোবিপ্রবি বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসরছবি: বন্ধুসভা

সুকান্ত বিশ্বাস রচিত ‘ভূতের রাজা কিং ভূত’ বই নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে গোবিপ্রবি বন্ধুসভা। ৪ মার্চ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বইয়ের লেখক সুকান্ত বিশ্বাস। তিনি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।

‘ভূতের রাজা কিং ভূত’ একটি শিশুতোষ ছড়ার বই, যা ভূতকে ভয়ের প্রতীক হিসেবে দেখায় না; বরং হাস্যরসপূর্ণ, কৌতূহলজনক এবং বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বইটির শুরু হয় মূল ছড়া ‘ভূতের রাজা কিং ভূত’ দিয়ে। এতে রাজা ভূত সিংহাসনে বসে আছে, অদ্ভুত ও মজার সাজপোশাকে সেজে, আর তার সঙ্গে আছে আজব সব সঙ্গী—যারা রাজার চারপাশে থাকে, মজার কিছু করে বা অদ্ভুতভাবে বাচ্চাদের হাসি জাগায়। ভয় নয়, কৌতূহল ও আনন্দ এখানে প্রধান।

গোবিপ্রবি বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসর।

গ্রন্থে ভূতকে কেন্দ্র করে অন্তত ছয়টি ছড়া রয়েছে। আমাদের লোককথা ও দাদি-নানির গল্পে ভূতের উপস্থিতি বহুদিনের। কিন্তু এই বইয়ে ভূতকে করা হয়েছে বন্ধুসুলভ ও আনন্দময়, যা প্রচলিত ভয়ের ধারাকে ভেঙে দিয়েছে। ভূতের বাইরে, বইয়ের অন্যান্য ছড়ায় দেখা যায় প্রকৃতি, কল্পনা, হাস্যরস এবং দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট ঘটনা। ফলে এটি শুধু ভূতের জন্য নয়, শিশুদের কল্পনাশক্তি ও আনন্দবোধকে আরও সমৃদ্ধ করার জন্য।

ভয়ের ভাঙা উদাহরণ হিসেবে একটি ছড়ার শেষের পঙ্‌ক্তি—
‘বলছি তোমায় শোন এবার
ভূত কোথায় এই দেশে?
মিছে ভূতের ভয়ের কথায়’

বইটি শিশুদের জন্য এক মজার জগৎ খুলে দেয়, যেখানে ভয়ের বদলে কৌতূহল ও হাসি প্রাধান্য পায়। পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন সভাপতি আহনাফ শাহরিয়ার, সাধারণ সম্পাদক আল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সিদরাতুল মুনতাহা, পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক আফিফা ঐশীসহ অন্য বন্ধুরা।

পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, গোবিপ্রবি বন্ধুসভা