শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধকে জানুক ও ধারণ করুক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বন্ধুসভা মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াড ২০২৬’ছবি: বন্ধুসভা

মহান মুক্তিযুদ্ধ জাতির জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন—এই ইতিহাস কোনো অপশক্তি মুছে ফেলতে পারবে না। লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বন্ধুসভা মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াড ২০২৬’ অনুষ্ঠানে অতিথিদের বক্তব্যে এ কথা উঠে আসে। গত ৩১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে এই অলিম্পিয়াডের আয়োজন করে জবি বন্ধুসভা। এতে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

‘বন্ধুসভা মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াড-২০২৬’–এ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বন্ধুসভার সদস্যরা
ছবি: বন্ধুসভা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার উপদেষ্টা এস এম শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি আমাদের জাতিসত্তার ভিত্তি। নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানাতে না পারলে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বিভ্রান্ত হবে। তাই বইপড়া, গবেষণা ও এমন প্রতিযোগিতামূলক আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত করতে হবে। আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, নিজেদের চেতনা ও মূল্যবোধ গঠনের জন্য মুক্তিযুদ্ধকে জানুক ও ধারণ করুক।’

‘আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে। তারা যদি মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী হয়, তবে দেশ কখনো পথ হারাবে না,’ যোগ করেন শাহাদাত হোসেন।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা
ছবি: বন্ধুসভা

অলিম্পিয়াডের কুইজ প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। কুইজে প্রথম হয়েছেন ইতিহাস বিভাগের তাসরিফা পুস্পিতা, দ্বিতীয় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অনন্না ম্রিধা, তৃতীয় আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের তানজিলা রহমান, চতুর্থ ইংরেজি বিভাগের আবদুল্লাহ শেখ আসিফ এবং পঞ্চম হয়েছেন ইতিহাস বিভাগের নয়ন ইসলাম।

বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক বই উপহার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার সভাপতি নুসরাত জাহান, সাধারণ সম্পাদক তারেক হাসান, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক আবিদ হাসান, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. অনন্তসহ অন্য সদস্যরা।

সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা