বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সোনার তরী’ নিয়ে পাঠচক্রের আসর করে নোবিপ্রবি বন্ধুসভা। ৮ জুলাই নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
পাঠচক্রে বন্ধুদের আলোচনায় উঠে আসে, ‘সোনার তরী’ শুধু একটি কাব্যগ্রন্থ নয়; এটি মানুষের জীবন, সাধনা, সৃষ্টি ও মহাকালের গভীর দর্শনের এক অনন্য প্রকাশ। বিশেষ করে নামকবিতা ‘সোনার তরী’তে মানুষের সারা জীবনের কর্ম ও সাধনার মূল্যায়ন এবং সময়ের স্রোতে মানুষের নীরব বিলীন হয়ে যাওয়ার দার্শনিক উপলব্ধি পাঠকদের গভীরভাবে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে।
এ ছাড়া কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা ‘যেতে নাহি দিব’, ‘বসুন্ধরা’, ‘নিরুদ্দেশ যাত্রা’ এবং ‘দুই পাখি’ নিয়েও আলোচনা হয়। শিলাইদহের পদ্মাপাড়ের পল্লিপ্রকৃতি, নদী, মানুষ ও গ্রামীণ জীবনের জীবন্ত চিত্রায়ণ এবং রবীন্দ্রনাথের উপমা, রূপক ও কাব্যভাষার সৌন্দর্য উপস্থিত পাঠকদের মুগ্ধ করে। একই সঙ্গে কাব্যগ্রন্থটির রূপকধর্মী বৈশিষ্ট্যের কারণে এর অন্তর্নিহিত ভাব উপলব্ধির জন্য মনোযোগ ও পুনর্পাঠের প্রয়োজনীয়তার কথাও আলোচনায় উঠে আসে।
সাধারণ সম্পাদক সানজিদ মুনতাসীর বলেন, ‘পাঠচক্র শুধু বই পড়ার আয়োজন নয়; এটি ভাবনা, মূল্যবোধ ও মননশীলতা গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। রবীন্দ্রনাথের “সোনার তরী” আমাদের জীবন, সময় ও সৃষ্টির অর্থ নতুনভাবে ভাবতে শেখায়। নিয়মিত পাঠচর্চার মাধ্যমে আমরা নিজেদের আরও সমৃদ্ধ করে তুলতে পারি।’
পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন বন্ধু জিসান আহমেদ, ফারিহা হোসাইন, তুহিন শুভ্র, বিকাশ রায়, শুভ হাসানসহ অন্য সদস্যরা।
সহসভাপতি, নোবিপ্রবি বন্ধুসভা