কম্বল পেয়ে হাসি ফুটেছে শীতার্তদের মুখে

মুন্সিগঞ্জ বন্ধুসভার উদ্যোগে ধলেশ্বরী-মেঘনার মোহনা তীরবর্তী কয়েকটি গ্রামে শীতবস্ত্র বিতরণছবি: বন্ধুসভা

ধলেশ্বরী-মেঘনার মোহনা তীরবর্তী মোল্লাচর, উত্তর ইসলামপুর, পাঁচঘড়িয়াকান্দি ও হাটলক্ষ্মীগঞ্জ গ্রামের শীতার্ত ২৫০ মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেছে মুন্সিগঞ্জ বন্ধুসভা। ১৭ জানুয়ারি প্রথম আলো ট্রাস্টের সহযোগিতায় এগুলো বিতরণ করেন বন্ধুসভার বন্ধুরা।

বসতবাড়ি নদীর পারে হওয়ায় কনকনে ঠান্ডায় চরম কষ্টে দিন পার করছিলেন এই গ্রামগুলোর নারী, পুরুষ ও শিশুসহ শীতার্তরা। নতুন কম্বল পেয়ে এখন তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

মুন্সিগঞ্জ বন্ধুসভার উদ্যোগে ধলেশ্বরী-মেঘনার মোহনা তীরবর্তী কয়েকটি গ্রামে শীতবস্ত্র বিতরণ
ছবি: বন্ধুসভা

কম্বল পাওয়ামাত্র দ্রুত গায়ে জড়িয়ে ষাটোর্ধ্ব মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘এই বছর ঠান্ডা বেশি লাগে। এহন পর্যন্ত কেউ আমারে একটি কম্বল দেয় নাই। আজ প্রথম আমারে একটি কম্বল দিল। আইজ খুব ভালো ঘুম আইব।’

গৃহকর্মী জাহানারা বেগম বলেন, ‘শীতের হাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নেমে আসে আমাগো অসহনীয় দুর্দশা। অভাবের সংসার। কম্বল কেনা সম্ভব নয়। পুরোনো দুটি ছেঁড়া কাঁথা গায়ে জড়িয়ে কোনোরকমে রাত পার করেছি ছোট্ট দুই সন্তানকে নিয়ে। আপনাদের দেওয়া নতুন কম্বল পেয়ে খুব খুশি।’

নৌকায় করে কম্বল নিয়ে আসেন বন্ধুরা
ছবি: বন্ধুসভা

প্রথম আলোর মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘বন্ধুসভার বন্ধুরা শীর্তাতদের হাতে কম্বল তুলে দিয়েছে। এতে করে এই মানুষদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে।’

বন্ধুসভার উপদেষ্টা নুরুননবী বলেন, ‘শীতের তীব্রতা বাড়ায় কারও যাতে কষ্ট না হয়, সেই লক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো এ বছরও আমাদের এই উদ্যোগ।’

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ বন্ধুসভার সভাপতি মাসফিক সিহাব, সহসভাপতি রাজীব পাল, সাধারণ সম্পাদক স্বাধীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমাইয়া বৃষ্টি, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, বন্ধু নূপুর, সানায়া সিফাত, রুদ্রদীপসহ অন্য বন্ধুরা।

সহসভাপতি, মুন্সিগঞ্জ বন্ধুসভা