রবীন্দ্র প্রয়াণদিবসে কবিতা পাঠের আসর

কুষ্টিয়া বন্ধুসভার কবিতা পাঠের আসরছবি: বন্ধুসভা

২২ শ্রাবণ ছিল বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ মনীষী, নোবেলজয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণদিবস। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে (ইংরেজি ৭ আগস্ট ১৯৪১) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে ৮০ বছর বয়সে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। যে বর্ষাকে কবি তাঁর অসংখ্য কবিতা, গান ও সৃষ্টিতে অনন্য রূপ দিয়েছিলেন, সেই বর্ষার এক দিনেই প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে তিনি পাড়ি জমিয়েছিলেন মহাপ্রস্থানে।

মহান কবির স্মরণে কুষ্টিয়া বন্ধুসভা রবীন্দ্রসাহিত্য আলোচনা ও কবিতা পাঠের আসর করেছে। সভাপতি জসিম উদ্দীনের সঞ্চালনায় ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সহসভাপতি জোবাইদা ইয়াসমিন আবৃত্তি করেন ‘সোনার তরী’ কবিতাটি। জেন্ডার ও সমতাবিষয়ক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন আবৃত্তি করেন ‘আকাশের চাঁদ’ এবং সদস্য ইফাত খন্দকার আবৃত্তি করেন ‘প্রতীক্ষা’ কবিতা। ‘গীতাঞ্জলি’ থেকে আবৃত্তি করেন দপ্তর সম্পাদক রাসেল প্রামাণিক।

কুষ্টিয়া বন্ধুসভার বন্ধুরা।

কবিতা আবৃত্তির পাশাপাশি কবির জীবনের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন সঞ্চালক। তিনি বলেন, কবিগুরু এই সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়াকে ভালোবেসে জীবনের অনেকটা সময় এখানে কাটিয়েছেন। পদ্মা নদীর ঢেউকে ভালোবেসে তাঁর কুঠিবাড়ির প্রাচীর দিয়েছেন ঢেউয়ের আদলে। ‘সোনার তরী’, ‘গীতাঞ্জলি’সহ অনেক কবিতা রচনা করেছেন কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর শিলাইদহে বসে। তাঁর সাহিত্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই কুঠিবাড়িও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

জোবাইদা ইয়াসমিন তাঁর আলোচনায় বলেন, ‘বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের জনক কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর গল্পে স্থান পেয়েছে গ্রামীণ জীবনের হাসি, দুঃখ ও আনন্দ। প্রতিটি গল্প যেন আমাদের বাস্তব জীবনের কিংবা আমাদের আশপাশের।’

শেষে বইমেলা সম্পাদক পাতা সরকার ‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে’ ও ‘মন মোর মেঘের সঙ্গী’ রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে শোনান।

সভাপতি, কুষ্টিয়া বন্ধুসভা