গ্রীষ্মকালীন ভর্তা উৎসব

ভর্তা তৈরিতে ব্যস্ত ভৈরব বন্ধুসভার কয়েকজন বন্ধুছবি: আনাস খান

ঋতুবৈচিত্র্যের দেশে রসালো ফলের সমাহার নিয়ে আসে গ্রীষ্ম। রসালো ফলের গন্ধে ম–ম হয়ে যায় চারপাশ। কিন্তু এ বছর বৈশাখ যেন প্রচণ্ড দাবদাহ দিয়ে দাবিয়ে বেড়াচ্ছে। অতিষ্ঠ গরমে চারপাশ হাহাকার।

অশান্ত সময়টাকে উপভোগ্য করতে হঠাৎ আমাদের মেসেঞ্জার গ্রুপে উপদেষ্টা ওয়াহিদা আমিন কিছু কাঁচা ফলের ছবি দিয়ে লিখেন, ভর্তা পার্টি করতে চাই। কার কার বাসায় আম, কামরাঙা, পেয়ারা গাছ আছে? নিয়ে আসবা, বন্ধুরা। সবাই মিলে হবে ভর্তা পার্টি। সবাই প্রস্তাবে এক পায়ে রাজি। বন্ধুরা দুদিনের মধ্যেই সবকিছু নিয়ে হাজির হলো প্রথম আলো ভৈরব আঞ্চলিক অফিসে। ৩ মে শুক্রবার, গ্রীষ্মকালীন কাঁচা ফলের ভর্তা উৎসব আয়োজন করে ভৈরব বন্ধুসভা।

বন্ধু শ্রাবণী দা, আম কুচির গ্রেটার ও শুকনা মরিচ নিয়ে হাজির। বন্ধু ফাহিম এবং মাহিন নিয়ে এল আম, তেঁতুল, শসা ও পেয়ারা। বন্ধু মেধা লেবুর শরবত বানাতে লেবু আর বিট লবণ; শুরু হলো ফল ধোয়া আর কাটাকাটি পর্ব। এ পর্বে সহযোগিতা করেন বন্ধু একা, অন্বেষা, সামির, আনাস ও ফাহিম।

ভৈরব বন্ধুসভার গ্রীষ্মকালীন ভর্তা উৎসব
ছবি: আনাস খান

উপদেষ্টা সোহেল ভাই সুদূর ঢাকা থেকে চলে এলেন ভর্তা পার্টিতে যোগ দেওয়ার জন্য। তিনি বলেন, ‘আর থাকতে পারলাম না, চমৎকার এই আয়োজন মিস করতে চাইনি।’
উপদেষ্টা জনি আলম ভাইও কাঁচা ফলের ভর্তার গন্ধে আর ঘরে বসে থাকতে পারলেন না। তিনি বলেন, ‘মেসেঞ্জার গ্রুপে তোমাদের ছবি দেখে আমিও আর বসে থাকতে পারিনি, চলে এলাম।’

এদিকে বন্ধু একা, রিফাত, মানিক, আনাস, সামির, তানশি—সবাই ভর্তার প্লেট নিয়ে কাড়াকাড়ি শুরু করে দিল; কার আগে কে শেষ করবে?
প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক সুমন মোল্লা বলেন, ‘ব্যতিক্রমী একটা আয়োজন। ভৈরব বন্ধুসভায় এই প্রথম ভর্তা নিয়ে আয়োজন হলো।’

সাধারণ সম্পাদক মানিক আহমেদ বলেন, ‘বেশ কয়েক দিন ধরেই ভাবছি কী কার্যক্রম করা যায়, যেখানে সবাই একত্রিত হব। অবশেষে ভর্তা আয়োজনে সবাই মিলে ছোটখাটো একটা মিলনমেলায় পরিণত হলো।’ আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন বন্ধু অর্ণব সাহা, মোশারফ রাব্বি, ফাহিম, আদিবসহ আরও অনেকে।

সভাপতি, ভৈরব বন্ধুসভা