শৃঙ্খলিত মানুষের মুক্তির এক মহাকাব্যিক ইশতেহার ‘বিদ্রোহী’

পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসরছবি: বন্ধুসভা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ শুধু একটি কবিতা নয়, এটি শৃঙ্খলিত মানুষের মুক্তির এক মহাকাব্যিক ইশতেহার। কবি নিজেকে মহাবিশ্বের এক মহাশক্তি হিসেবে কল্পনা করেছেন, যা সমস্ত অন্যায় আর জরাজীর্ণতাকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে পারে। কবিতাটি কেবল শব্দের কারুকাজ নয়, এটি একটি জীবন্ত চেতনা। যখনই সমাজে অন্যায়, অবিচার বা স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, তখনই ‘বল বীর’ শোষিত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ফিরে আসে। পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার জন্য এর চেয়ে শক্তিশালী এবং জাদুকরি কবিতা বাংলা ভাষায় দ্বিতীয়টি নেই।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তীতে তাঁর লেখা ‘বিদ্রোহী’ কবিতা নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি বন্ধুসভা। পাঠচক্রের শুরুতেই কবিতাটি পাঠ করেন কার্যনির্বাহী সদস্য ঈশিতা নাজনীন। পরে উপস্থিত সবাই এটি নিয়ে আলোচনা করেন।

পাঠচক্রে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক নিগম সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাফিউল শেখ, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সিফার সাদিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শার্মিলা ইসলাম, বইমেলা সম্পাদক অর্পিতা সরকার ও প্রচার সম্পাদক ইসরাক চৌধুরী।